চীনের এমন পদক্ষেপকে চরম উসকানিমূলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এর আগে দাবি করা হয় যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে তারা সহায়তা করেছে। এ ছাড়া আগামী মাসের শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে বেইজিং সফরের কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান এই যুদ্ধবিরতিকে কাজে লাগিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় নির্দিষ্ট কিছু অস্ত্র ব্যবস্থা পুনরায় পূরণ করতে পারে।
দুইটি সূত্র সিএনএনকে বলেছেন, চীন এসব অস্ত্রের চালানের উৎস গোপন করতে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর চেষ্টা করছে।
সূত্রের দাবি, বেইজিং কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ইয়ার মিসাইল সিস্টেম ইরানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তবে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বলেন, সংঘাতে কোনো পক্ষকেই চীন কখনো অস্ত্র সরবরাহ করেনি। তিনি অস্ত্র পাঠানোর খবরকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন।
This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!


GIPHY App Key not set. Please check settings