যুক্তরাষ্ট্র-এর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান-এর সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া ওই মন্তব্যে নতুন করে উত্তেজনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুম’-এ তার শীর্ষ মন্ত্রী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ইরান পরিস্থিতি, কূটনৈতিক আলোচনা এবং সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ শীর্ষ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সিআইএ পরিচালক ও সেনা নেতৃত্বও বৈঠকে অংশ নেন।
সূত্র অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে মাত্র কয়েক দিন বাকি। কিন্তু এখনো নতুন কোনো আলোচনার তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। ফলে কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, যদি অল্প সময়ের মধ্যে আলোচনায় কোনো “ব্রেকথ্রু” না আসে, তবে পরিস্থিতি আবারও সামরিক সংঘাতে গড়াতে পারে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য রুটে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নতুন পদক্ষেপের তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তেহরান সফর করে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ও ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত একবার সরাসরি কথা বলেছেন, যা চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতি না হলে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র : এক্সিওস
This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!


GIPHY App Key not set. Please check settings