ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হওয়া দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রায় ২৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

এই প্রাণহানির সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সীমানা অতিক্রম করায় রোয়ানু’র শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়েছে উপকূলবাসী। তবে, নিম্নচাপের কারণে ঝড়ো বাতাস বইবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। 'রোয়ানু'র আঘাতে চট্টগ্রামে ১৩, ভোলায় ৪, ফেনীতে ১, কক্সবাজারে ৫, লক্ষ্মীপুরে ১, পটুয়াখালীতে ১ ও নোয়াখালীতে ৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে।ঝড়ো হাওয়ার দাপট শুরু হয়েছিল শনিবার ভোর রাত থেকেই; সেই সঙ্গে বৃষ্টি। কয়েক শত ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।  বেলা দেড়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রামের কাছ দিয়ে উপকূল অতিক্রম করে। এরপর ঝড়ের দাপট চলে আরও কয়েক ঘণ্টা। একদিন স্থায়ী হওয়া ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় এলাকার অনেক ঘর-বাড়ি। অসংখ্য গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ এখনো নিরাপদ আশ্রয় ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রয়েছে। তাদের নিজ বাড়িতে ফিরতে আগামী দিনের দুপুর নাগাদ অপেক্ষা করতে হবে।

YOUR REACTION?

Facebook Conversations



Disqus Conversations