রহস্যময় ১০টি আবিষ্কার যার কোন ব্যাখ্যা নেই জগতে।

জানা অজানা।

এই পৃথিবীর ইতিহাস অনেক বিস্ময়কর এবং রহস্যময়ে ঘেরা। আমাদের এই পৃথিবীর সব রহস্যের উদঘাটন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।কিন্তু ভুপৃষ্ঠের নিচে লুকিয়ে থাকা সত্যিকারের কিছু বিষ্ময়কর জিনিষ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমাদের সবারি আছে ।তাই আজ আপনাদের সাথে এমন ১০ টি আবিষ্কার শেয়ার করব যার ব্যাখ্যা এখনো অজানা।

2. প্রথমে মোয়া বার্ড

প্রথমে মোয়া বার্ড

মোয়া বার্ড বা মোয়া পাখি নিউজিল্যান্ড এর একটি উড়ন্ত পাখি যা আজ থেকে প্রায় ১৫০০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছে । একটি গবেষনায় জানা যায় এটি মাউরি নামক একটি জনগোস্টহি এই পাখি গুলোকে হত্যা করে বিলুপ্ত করে দিয়েছে। বিংশ শতাব্দির দিকে একদল বিজ্ঞানীদের একটি অভিযানের সময় তারা এই পাখির একটি বিশাল নখর এর সাথে হোচট খায়। এই নখর টিকেই পরবর্তি তে সংরক্ষন করে রাখা হয়েছে।

3. শাকসায়ামান এর মন্দির কমপ্লেক্স, পেরু

শাকসায়ামান এর মন্দির কমপ্লেক্স, পেরু

মর্টার এর কোনো প্রকার ব্যাবহার ছাড়া নির্মিত প্রাচীন এই মন্দির এর স্টোনওয়ার্ক আসলেই আশ্চর্যজনক। কিছু ক্ষেত্রে এই সব পাথরের ভিতর দিয়ে একটি কাগজ ও পাস করা সম্ভব নয়। প্রতিটি ব্লক এর পাসে একটি মসৃণ পৃষ্ঠ এবং বৃত্তাকার কোণ আছে।কিন্তু কেউ জানে নাহ এটি কিভাবে নির্মিত হয়েছিল।

4. গেট অব দা সান, বলিভিয়া

গেট অব দা সান, বলিভিয়া

বলিভিয়ার একটি প্রাচীনএবং রহস্যময় শহর তিভানাকুতে “গেট অভ দা সান” বা সুর্যের গেট দেখতে পাওয়া যায়। কিছু প্রত্নতাত্তিক বিশ্বাস করেন যে এটি প্রথম সহস্রাব্দে বিশাল একটি সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল। এই গেট এর কার্ভিং গুলো কি বোঝাইয় তা আজ পর্যন্ত কেউ ব্যাখ্যা করতে পারেন নি। সম্ভত এদের কোনো এস্ট্রোলজিকাল তাৎপর্য আছে।

5. দা লং ইউ কেভ ,চীন

দা লং ইউ কেভ ,চীন

এই গুহাটি বেলে পাথর উপরে ফেলে বানানো একটি মানব সৃষ্ট গুহা এই ধরনের কঠিন শিল্পকর্মে হাজারো লোকের অংশগ্রহণের দরকার হয় কিন্তু তবুও ইতিহাসের কোথাও এই গুহা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নাই।

6. অসমাপ্ত স্মারক স্তম্ভ, মিশর

অসমাপ্ত স্মারক স্তম্ভ, মিশর

মিশরের এই স্মারকস্তম্ভটি পাথরখন্ড কার্ভ করে বানানো শুরু হয়েছিল। কিন্তু বানানোর শুরুতেই এটির ভিতর ফাটল ধরা শুরু করে। পরে এটি এই অসমাপ্ত অবস্থায় ই রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু এই অসমাপ্ত স্মারক স্তম্ভটিই একটি আশ্চর্যজনক নিদর্শন হয়ে আছে ।

7. মহেঞ্জান্দারো,পাকিস্তান

মহেঞ্জান্দারো,পাকিস্তান

মহেঞ্জাদারো শহরের পতন বিশেষজ্ঞ দের অনেক যুগ ধরেই হতবিহবল করে রেখেছে।১৯২২ সালে, ভারতীয় প্রত্নতত্তবিদ আর ডি ব্যানার্জী সিন্ধু নদীর তীরে এক দ্বিপে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ খুজে পান।প্রশ্ন উঠেছিল কিভাবে এই শহর এর পতন ঘটেছিল?কি হয়েছিল এই দ্বীপের বাসিন্দাদের? অনেক চেষ্টা করে এর উত্তর বের করা সম্ভব হয় নি।

এছাড়া আরো রয়েছে,


 ডুবন্ত শহর,জাপান

এই প্রাচীন শহরটি ডাইভিং প্রশিক্ষক কিহাচিরো আরাটাকে হঠাত আবিষ্কার করেছিলেন।এই ডুবন্ত শহরে সব বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিস্মৃত আছে। যেই পাথর থেকে এটি খোদাই করা হয়েছিল তা ১০০০০ হাজার বছর আগে ডুবে যায়-এমনকি পিরামিড তৈরীরও ও আগে। কিছু প্রত্নতাত্তিক বিশ্বাস করেন যে, প্রাচীন মানুষেরা গুহার্যড গদাগাদি করে থাকত এবং শিকার এর এর পরিবর্তে এরা ভোজ্য মুল এর বেচে থাকত।

ল্যান্স অক্স মেডোওস,কানাডা

কানাডার এই প্রত্নতাত্তিক নিদর্শনটি ১০০০ বছরেরো আগে কিছু জলদস্যু দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর অবস্থান এই ইংগিত দেয় যে ক্রিস্টোফার কলম্বাস এর আগেই স্ক্যান্ডিনিভিয়ান নাবিকরা নর্থ আমেরিকা ভ্রমন করে।

স্টোন এজ টানেলস,

ভুগর্ভস্ত টানেল এর একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এর আবিষ্কার ,যা তুরষ্ক থেকে স্কটল্যান্ড পর্যন্ত প্রসারিত এইটা ইঙ্গিত করে যে স্টোন-এজ সম্প্রদায় শুধু মাত্র শিকারী-সংগ্রাহক নয়। কিন্তু টানেল এর প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো একটি রহস্য। কিছু গবেষক বিশ্বাস করেন যে এই টানেল গুলো শিকারিদের থেকে প্রটেকশন এর জন্য ব্যাবহার করা হত। আবার কেউ কেউ বলেন যে নিরাপদে ভ্রমনের জন্য এটি ব্যাবহার করা হত।

বিশাল পাথর গোলক,কোষ্টারিকা

এই রহস্যজনক পাথর গঠন শুধুমাত্র তাদের পার্ফেক্ট গোলাকার শেপ এর জন্য কুচুটে নয় বরং এদের অরিজিন এর জন্যও কুচুটে। এই পাথর গুলো জঙ্গল পরিষ্কার করা একদল ওয়ার্কার ১৯৩০ এর দিকে আবিষ্কার করেন। লোকাল লিজেন্ড রা মনে করেছিলেন এর ভিতর প্রচুর গোল্ড আছে,কিন্তু পরা দেখা যায় এগুলো খালি।।

The mysterious 10 discoveries of the world which have no explanation