বাংলাদেশের দখলে গিনেস বুকের যেসব রেকর্ডগুলো।

জানা অজানা।

বাংলাদেশের গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড এর রের্কড সমূহঃ

১৯৫৫ সাল থেকে শুরু গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড এর যাত্রা।বিশ্বের সমস্ত অদ্ভুত যা করা প্রায় মুশকিল,বা নতুন কোনবস্তু, সে সব কাজের স্থান এই বই এ।শুরুতে কয়েকটি কাহিনী এইখানে স্থান পেলেও এখন প্রায় কয়েক লাখ এর স্থান রয়েছে এখানে।বাংলাদেশের ও কয়েকটি কাজ এখানে স্থান পেয়েছে।আসুন জেনেনিই সেই রকম ই কিছু কর্মের কাহিনী।

2. মানব পতাকা

মানব পতাকা

২০১৩ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর ঢাকার শেরেবাংলা নগরের আর্মি প্যারেড স্টেডিয়াম বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মানব পতাকা গঠিত হয়।পরে ২০১৪ সালের ৫ ই জানুয়ারি এটি গিনেজবুক অব ওয়ার্ল্ড এ স্থান পায়।প্রায় ৬ মিনিট ১৬ সেকেন্ড স্থায়ী হয় এই ওয়ার্ল্ড রের্কড।২৭,১১৭জন আর্মি এবং ছাত্রছাত্রীদের যৌথ সহযোগিতায় এই রের্কডটি হয়।

 

3. নাগা মরিচ

নাগা মরিচ

পৃথিবীর সবচে ঝাল মরিচ উৎপন্ন হত বাংলাদেশের সিলেটে।এই মরিচকে বাংলাদেশে বোম্বাই মরিচ বা কামরাঙা মরিচ বলে।এখন সারা বাংলাদেশেই এটি উৎপন্ন হয়।ঝালের আধিক্যের কারনে এটি গিনিজ বুক এ স্থান পায়।

স্টেপলার পিনের চেইনঃ

বাংলাদেশের শিহাব উদ্দীন একটু ভিন্ন মন মানসিকতা র মানুষ।একটু আলাদা থাকতে পছন্দ করেন।একদিন ভাবতে ভাবতে হঠাৎ তার মাথায় এক অদ্ভুত আইডিয়া আসে।প্রায় আট মাস খাটুনির পর ২৭ হাজার স্টেপলার পিন দিয়ে তিনি ৪০২২ মিটার লম্বার চেইন বানান।এটিই পরবর্তীতে গিনিজ বুকে স্থান পায়।

জাতীয় সংগীতঃ

২০১৬ সালের ২৬ এ মার্চ প্রায় দুই লাখচুয়ান্ন হাজার ছয়শ একাশি জনের একত্রে উপস্থিতে আমার সোনার বাংলা, আমাদের জাতীয়সংগীত গাওয়া হয়।সেই দিন সেখানে আমাদের প্রধান মন্ত্রী সহ আরো অনেকেই উপস্থিতছিলেন।পরবর্তীতে তা গিনিজ বুক এ স্থান পায়।

 

সবচে বড় মানব শিকলঃ

২০০৮ সালের ১১ই ডিসেম্বর আওমীলীগ সবচেয়ে বড় মানব শিকল গঠন করে।প্রায় ৫২০০ বর্গমাইল জায়গা নিয়ে তারা এই মানব শিকল গঠন করে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া অব্দি এই শিকলছিল।প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ এই শিকলে ছিল।

 

হাত ধোয়াঃ

প্রায় ৫২ হাজার মানুষ এর নিয়ে১৫অক্টোবর, ২০১৭সালে হাত ধোয়া দিবসে,হাত ধোয়া কর্মসূচি হয়।পরবর্তীতে এই রের্কড গিনিজ বুকে উঠে।