কুরঅান এর অনুপ্রেরনাময় কিছু কথা।

ধর্ম।

• মহান আল্লাহ তায়ালা কুরঅান কে হযরত জিবরাঈল আঃ এর মাধ্যমে পৃথিবীতে অবতরন করান

• এটি মোহাম্মদ সাঃ এর উপর অবতীর্ণ হয় এবং একে তার উম্মত গন পবিত্র গ্রন্থ বলে জানেন

• খাটি মুসলমান গন একে অব্যর্থ প্রন্থ বলে আখ্যায়িত করেন।

• কিছু নির্দিষ্ঠ গোষ্ঠী যারা মোহাম্মদ সাঃ এর উম্মত তারাই ইশ্বর বা আল্লাহ কে মেনে চলে।

• আল-কুরঅান যা মুসলমান দের জন্য জীবনের পথ প্রদর্শক।

• মোহাম্মদ সাঃ এর বলা সব কথা কাজ কর্ম কে হাদিস নামক গ্রন্থ এ স্থান দেয়া হয়,যার অবস্থান ঠিক কুরঅান পরপর।

• কুরঅান আর হাদীস মিলেই হচ্ছে শরীয়াত,যা প্রত্যেক টি মুসলিম এর মান্য করতে হয়।

• ৬১০ হিজরীতে যখন মোহাম্মদ সাঃ এর বয়স ৪০ বছর,তখন তিনি হেরাগুহার ধ্যানমগ্ন ছিলেন তখন জিবরাঈল আঃ ভূমিতে নামেন এবং রাসূল কে কিছু পড়তে দেন।সেই দিন থেকেই টানা ২৩ বছর একটু একটু করে কুরঅান নাযিল হয়।

• মোহাম্মদ আঃ যা বলেছেন করেছেন তাকে হাদিস এর অন্তগর্ত করা হয়,বলা হয়ে থাকে হাদিস কুরঅান এর বিবরনী।

• একজন মুসলমান এর সারা জীবন কুরঅান এবং হাদিসের নিয়ম অনুসারে চলে।

• কুরঅান এর আয়াত সমূহ একেক ঘটনার উপর আলোচিত হয়ে নাযিল হত।

• সূরা সমূহ দুইভাগে ভাগ করা যায়।মাক্কী এবং মাদানী।

• যেসব সূরা মক্কায় অবতীর্ন হয়েছে বা মোহাম্মদ সাঃ এর হিযরত এর পূর্বে নাযিল হয়েছে তাদের মাক্কী সূরা বলে।এই সূরা গুলো কিছুটা বড় আকারের।

• যেসব সূরা মোহাম্মদ সাঃ এর হিযরত এর পর মক্কায় অবতীর্ন হয় তাদের কে মাদানী সূরা বলে।

• কুরঅান কে মুসলমান দের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব বলা হয়ে থাকে।

• আগেও অনেক কিতাব নাযিল হয়েছিল,এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কিতাব

• কেয়ামত আগ অব্দি আর কোন কিতাব নাযিল হবেনা

• কারন মোহাম্মদ সাঃ ই হলেন সর্বশেষ নবী এবং রাসূল।

• বলা হয়ে থাকে মোহাম্মদ সাঃ পড়াশুনা জানতেন না,তিনি তার উম্মত দের নিকট আয়াত সমূহ বলতেন এবং তারা তা লিখে রাখত।

• সমগ্র কুরঅান কে ৩০ টি পারায় ভাগ করা হয়েছে

• একেক টি আয়াত একেক সময় বিভিন্ন ঘটনার উপর নির্ভর করে নাযিল হয়েছিল।

• কিন্তু কুরঅান যখন লেখা শুরু হয় তখন তা একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সাজানো হয়।

• ১৯৯২ সালে আমিনা ওয়াদুদ কুরঅান থেকে মেয়ে দের অধিকার নিয়ে একটি  বই লিখেন।

• ১৯ শতকের পূর্বে কুরঅান কে কোরান বলা হত।

• কুরঅান থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ কৃত আয়াত সমূহ কে পূর্নাঙ্গ কুরঅান বলা হয় না।

• আয়াত সমূহে শুধু পাচ ওয়াক্ত নামাজের কথাই উল্লেখ নেই, সেই সাথে রোজার ও উল্লেখ আছে।

• মোহাম্মদ সাঃ এর কাছ থেকে যারা শুনে শুনে আয়াত সমূহ কে মুগস্থ করত তাদের থেকে সমস্ত আয়াত সংগ্রহ করে কুরঅান প্রথম ছাপানো হয়।

• একেক দেশে কুরঅান এর নানা রকম বিকৃতকরন হবার কারনে কুরঅান ছাপানোর উদ্দোগ নেয়া হয়।

• কুরঅান  সম্পর্কিত সমস্ত কিছুই পবিত্র,এমনকি যেই কাগজে যা লেখা হয়,যেই কালি দিয়ে লেখা হয়।

• কুরঅান এর প্রত্যেক টি আরবি অক্ষর পাঠে অনেক সওয়াব লাভ করা যায়

• জোরে জোরে কুরঅান পাঠ করার ফজিলত অনেক।

• পাক পবিত্র না হয়ে কুরঅান ধরা পাপ।

• সাধারণত অযু করার পর কুরঅান স্পর্শ করতে হয়

• ফজর এর ওয়াক্তে আর মাগরিবের নামাজের পর কুরঅান পাঠের ফজিলত অনেক।

• মোহাম্মদ সাঃ মারা যাবার অনেক বছর পর প্রথম কুরঅান সংরক্ষণ করা শুরু হয়।

 • সাত বছরের উর্দ্ধে সমস্ত বালকের কুরঅান মুগস্থ করা বাধ্যতামূলক ছিল।

 • এই পৃথিবীর আদি থেকে অন্ত অব্দি সব কিছুই কুরঅান এ উল্লেখ রয়েছে।

 • কিভাবে কেয়ামত হবে,কেয়ামতের লক্ষন সমূহ,হাশরের ময়দান কি,মৃত্যুর পরে আমরা কোথায় যাব তার সব উত্তর কুরঅান এ আছে।

 • কিভাবে সৎ উপায়ে জীবন যাপন করা যায় তার সব কিছু কুরঅান এ আছে।

 • পাপের শাস্তির বিবরন ও কুরঅান এ আছে।যেমনঃচুরি করলে চোরের হাত কেটে দেয়া।

 • আমাদের জন্য অনেক কিছুই হারাম। যেমনঃশূকরের মাংস,সাপ,পুরুষের জন্য সোনা,রেশম।

 • ইসলাম ধর্মে নর-নারী উভয়ের ই পর্দার কথা উল্লেখ আছে।

 • মেয়েদের কে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়ার কথা উল্লেখ আছে।

 • কুরঅান কে সোভিয়াত ইউনিয়ন এ ব্যান করা হয়েছিল

 • বিশ্বের সবচে বড় কুরঅান এর ওজন প্রায় ১১০২ পাউন্ড।