শিশুদের যে ৫টি কথা কখনো বলবেন না।

জানা অজানা।

১- বড়দের কথা শোনো উচিত।

১- বড়দের কথা শোনো উচিত।

বাচ্চারা তখন ভাবে সব বড়রাই ভাল ও সৎ। তারা যেটাই বলবে যেটাই শোনা উচিত। ফলে অপরিচিত কাউকে সৎ ভেবে তাঁর কথা শুনতে যেয়ে বিপদে পরতে পারে। বরং এই কথা না বলে বলা উচিত মা ও বাবার কথা শুনতে হয়। যার ফলে অপরিচিত  বেক্তিদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলা উচিত সেখার তাগিদ দেবে।

২-কান্না বন্ধ করো।

২-কান্না বন্ধ করো।

কথাটা শুনে বাচ্চারা যা শেখে নিজের আবেগ অনুভুতি প্রকাশ করা খুবি একাটা খারপ কাজ, যার ফলে বাচ্চারা ভাবে কাদলে আমাকে বোকা দেওয়া হবে। ফলে সে ধরনের নীরবতার মাজে বড় হয়ে উঠবে।যার ফলে ধিরে ধিরে আবেগময়য় কোন ব্যাপার তাকে স্পর্শ করবে না। অনেকটা রোবট টাইপ। এই ক্ষেত্রে যা বলা দরকার, কি তোমাকে বিরক্ত করছে কেউ? যদি কেউ পড়ে যেয়ে বেথা পায় তখন বলা উচিত, তুমি বেথা বা ভয় পেয়ে কাঁদছ? ঠিক হয়ে যবে কিছুই হয়নি তোমার।

৩। দুজনে সব সব ভাগাভাগি করে খেলবে।

৩। দুজনে সব সব ভাগাভাগি করে খেলবে।

আমাকে সব সব শেয়ার করতে হবে, এই পৃথিবীতে আমর বেক্তিগত কিছু নেই। এই কথাগুলো আপনার বাচ্চার ছাড় দেওয়ার মানসিকতার তৈরি হলে ও নিজের অধিকার নিয়ে কথা বলা শিখবে না। মানসম্মান ও অধিকার মূল্যহীন ভাব্বে।

বরং এইভাবে বলুন, তুমি কি তোমার খেলনাটি কিসুক্ষনের জন্য এই বাবুটিকে খেলতে দাও। বা তুমি তোমার খেলানা দিয়ে খেলো ও তাঁর খেলনা দিয়ে খেলুক। এর ফলে আপনার বাচ্চা নিজের জিনিষ কিভাবে সামলাতে হয় তা শিখবে।

কার কাছে শিখেছো? (দুষ্টমির ক্ষেত্রে)

কার কাছে শিখেছো? (দুষ্টমির ক্ষেত্রে)

এই কথাটা শুনে আপনার বাচ্চা যা ভাবে, আমার মা বাবা তো জানে না এই দুষ্টমি কেন করেছি। তখন আপনার বাচ্চা শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য অন্নের ঘাড়ে দোষ চাপাবে। এই কথাটা না বলে বরং বলা উচিত,কেন এটা তুমি করেছো? 

এই বাক্যটি আপনার বাচ্চাকে বলতে সাহায্য করবে দুষ্টমিটি সে ইচ্ছাকৃত করেছে নাকি কারো কথায় করেছে। তাকে তাঁর দোষ স্বীকার করতে যথেষ্ট সুযোগ দিন। 

৫-দেখো তোমার চেয়ে ঐ ছেলেটা/মেয়েটা কত ভদ্র।

৫-দেখো তোমার চেয়ে ঐ ছেলেটা/মেয়েটা কত ভদ্র।

কথাটা শুনে আপনার শিশু যা ভাবে, আমি অন্যদের চেয়ে কত খারাপ। আমি যাই করি না কেন সেটা ভাল হবে না। অন্নদের থেকে আমি ভাল করতে পারবো না। এর ফলে আপনার বাচ্চার আত্মবিশ্বাস কমতে থাকে। ফলে তাঁর দ্বারা বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। 

বরং আপনার বলা উচিত তুমি ও এই বাচ্চাটির মতো হতে পারবে। এর সাথে সাথে আপনার বাচ্চার সামর্থ্যগুলো খুজে বার করুন। এবং তাকে বুঝিয়ে দিন তাঁর উপর আপনার বিশ্বাস আছে।