দেখে দিন যাদের কাছে আছে টাকার খনি।

জানা অজানা।

আপনারা হয়তো অনেক দিন থেকেই শুনে আসছেন বিল গেটস। কিন্তু বর্তমানে তিনি এখনো দুনিয়ার সব চেয়ে ধনী বেক্তির জায়গায় নেই। তবুও তার সম্পত্তির পরিমাণ ৯৫ বিলিয়ন। তারপর তার এত সম্পত্তি থাকার পরও দুনিয়ার কিছু মানুষের সম্পত্তির তুলনায় কম মনে হবে।তারা এমন বেক্তি তাদের মোট সম্পত্তি দুনিয়ার সামনে উপস্তিত করে না।তারপর ও কিছু মানুষ তাদের তাদের উপর গবেষণা করে আনুমানিক একটা ধারণা বের করেছে তাদের সম্পত্তি কত। তবে চলুন জেনেনি কিছু অজানা ধনী বেক্তিদের।

কিম জং উন

কিম জং উন

নর্থ কোরিয়ার লিডার, তার ব্যাপারে হয়তো আপনি অনেক বার ই শুনেছেন, তিনি তার দেশে এমন আজব আজব নিয়ম কানুন লাগিয়ে রেখেছেন তার জন্য ঐ দেশের নাগরিকদের লাইফটাই অনেক খারপ, এমন কি ঠিক মতো মেডিক্যাল ও খাবার দাবার পায় না। এই দেশ অনেক গরিব। কিন্তু এই দেশের প্রধান কিম জং উন অনেক সম্পদশালী। কারন কিম ও তার পরিবার তার দেশের প্রায় সব জিনিষ এর মধ্যে দখলদারি রয়েছে। এই সব হিসাব কষে তার সম্পত্তির পরিমাণ ১৭০ বিলিয়ন মনে করা হয়।  তার কাছে তার ম্যানশন, জাহায, এয়ারপোর্ট, গলফ স্টেডিয়াম ছারাও অনেক কিছু রয়েছে। যেগুলো তিনি নর্থ কোরিয়ার টাকায় ক্রয় করেছেন। কিন্তু তিনি ধনীদের তালিকায় নেই। কারন নর্থ কোরিয়ার বেশীর ভাগ সম্পত্তি ব্ল্যাকমানি।

রথচাইল্ড

রথচাইল্ড

অনেক মানুষই এদের প্রতি জানার আগ্রহ বেশি। রথচাইল্ড মুলুত একটি পরিবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে তাদের পরিবারে এক একটি সদস্য বিল গেস্ট এর চেয়ে ধনী। তারা একটি ইহুদী পরিবার। মুলত তাদের বেশীর ভাগ কাজ ই গোপনে করে থাকে।তাদের বিষয় অনেকেই মন্তব্য করেন ইতিহাসের বড় বড় কিছু দুর্ঘটনা ছিলেন তারা শুধুমাত্র টাকা পয়সা কামানোর জন্য।এই ফামিলি টাকা পয়সার জন্য সব কিছু করতে পারে।এরা প্রতিবছর একটি গোপন মিটিং করে। বিলডার বারগ মিটিং। তাদের মিটিং এ তারা প্ল্যান করে কিভাবে আরো সম্পত্তি বানানো যাবে। অনেকের মতে তারা শয়তানের পূজা করে।তাদের মোট সম্পত্তি পরিমাণ ৩৫০ বিলিয়ন।

মুয়াম্মার গাদ্দাফি

 মুয়াম্মার গাদ্দাফি

যিনি মুলুত লিবিয়াতে শাসন চালাতেন। পরবর্তীতে তাকে মেরে ফেলা হয়। যখন তিনি লিবিয়াতে শাসন চালানতে তখনটার সম্পতি ছিল অনেক বেশি।তিনি তার ম্যানথন, বোড, আর গোল্ডেন গানের জন্য। ২০১১ সালে গাদ্দাফির সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৮০ বিলিয়ন। তখন ওইসময় বেশীর ভাগ কাজ তার ইচ্ছা মতো হতো।তিনি তার সম্পত্তিগুলো দুনিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তার মিরতুর পর তার পাহাড় সমান সম্পত্তির কোন খোজ পাওয়া যায়নি।

দা হাউস অফ সাউদ(সৌদি শাহী পরিবার)

দা হাউস অফ সাউদ(সৌদি শাহী পরিবার)

বলতে গেলে এরা অনেক সম্পদশালী।তার কারন হলো তেল ও গ্যাস। এই তেল ও গ্যাস অনেক দামী জিনিষ।এদের আছে তেল ও গ্যাসের খনি। আপনি যখনি তেল বা ফুয়েল আপনার গাড়িতে লোড করছেন তক্ষণই আপনার টাকাটা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। এদের সম্পত্তি অনেক সিক্রেট, আর এটি তারা কাউকে বলে না। তাদের সম্পত্তি আনুমানিক ২ থেকে ২.৪০ ট্রিলিয়ন ডলার। এই বেক্তিরা অনেক বেশি টাকা খরচ করে থাকে। বেশি ভাগ দামী গাড়ী। প্রসাদ, ইউনিক সব জিনিষ ক্রয় করতে ভালবাসে।যেগুলো হয়তো অন্য কারো কাছে নেই।

পাবলো এমিলিও এসকোবার গাভিরিয়া

পাবলো এমিলিও এসকোবার গাভিরিয়া

কলম্বিয়ার সবচে ধূর্ত মাদক সম্রাটের নাম। কোকেন পাচারের ইতিহাসে এসকোবারকে ধরা হয় সবচে প্রভাবশালী, ধূর্ত এবং বিত্তবান। মুভিতে দেখা আসল ক্রিমিনালদের মতই ছিলেন, তিনি ৪৪ বছর বয়েসে মারা যান। তার সময় তিনি দুনিয়ার সব থেকে ধনী বেক্তি ছিলেন। কিন্তু তার সব টাকা ছিল কালো টাকা। এই জন্য তিনি ধনীদের তালিকায় আসতে পারেন নি।

তার কাছে ১২ টি প্লেন, অসংখ্য বাড়ি, গাড়ী ছিল।এবং তার বেক্তিগত তার একি ছিঁড়িয়াখানা ছিল। বলা থাকে থাকতো বছরে তিনি ২৫০০ ডলার বা ২ লক্ষ্য টাকার মতো রাবার ব্যান্ড দরকার হতো। যা দিয়ে তিনি টাকার বান্ডিল বাধত। তার ইনকামের ১০% তার এলাকায় গরিব মানুষের বিতরণ করতো। এই জন্য অবশ্য তাকে রবিনহুড বলা হয়ে থাকতো। তিনি যখন জিবিত ছিলেন তখন তার মোট সম্পত্তি ছিল ১৫৫ বিলিয়ন।