উন্নত দেশের বিকলাঙ্গ নিয়ম।

সারাবিশ্ব।

শারীরিক ভাবে বিকলাঙ্গ মানুষদের আমরা আলাদা নজরে দেখি।তাদের জন্য কিছু করতে হলে তাদের ভালো তা ভেবেই করি।তাদের নানা ভাবে সাহায্য করি।কিন্তু এমন কিছু দেশে আগে এমন কিছু নিয়ম কানুন ছিল যা এইসব বিকলাঙ্গ মানুষকে মানুসিক ভাবেও বিকলাঙ্গ বানিয়ে দিত।আসুন জেনে নিই সেইসব নিয়ম কানুন।

১৮০০ সালের আমেরিকায় বিকলাঙ্গ মানুষকে মানুষ রুপে গন্য করা হত না।তাদের কে বাড়ির পোষ্য প্রানী অপেক্ষা নিম্ন পর্যায়ে রাখা হত।তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষনা করেছিলেন যাতে রাস্তায় কোন বিকলাঙ্গ মানুষকে না দেখা যায়।পরিবারে কোন বিকলাঙ্গ জন্মালে তাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হত।

প্রাচীন গ্রিকে ছিল ভিন্ন প্রথা, যা ছিল আরো ভয়ানক।তৎকালীন গ্রিক সম্প্রদায় ছিল সুন্দরের পূজারী, কে কতটা সুন্দর, কতটা নিখুত এর বিবেচনা করত।আর একটু খুত সহ মানুষকে তারা ভিন্ন প্রক্রিয়ায় আলাদা করত।তাদেরকে পাথর মেরে,পাহাড় থেকে ফেলে দিয়ে বা অগ্নুৎপাত এ ফেলে মেরে ফেলা হত।

হিটলারের আমলে বিকলাঙ্গ এর জন্য আরো ভয়াবহ আইন পাশ হয়েছিল।হিটলার চাইত না যে তার রাজত্বে কোন বিকলাঙ্গ মানুষ থাকুক।এর জন্য তিনি এমন নিয়ম জারী করেছিলেন যে কোন বাচ্চা বিকলাঙ্গ জন্মালে তাকে সাথে সাথে মেরে ফেলতে হবে। তার শাসনামল এ একটি বাচ্চা অন্ধ আর এক পা বিহীন জন্মে ছিল।তার বাবা অনেক আকুতি মিনতি করেও তার বাচ্চাকে বাচাতে পারেনি।সেই সময়ে সে প্রায় তিন লাখ বিকলাঙ্গ মানুষকে হত্যা করা হয়।