উন্নতি করতে চাইলে মানুন ৮টি উপায়।

জানাঅজানা।

সকলের সাথে সকল বিষয় এ একমত হওয়ার ভান করা।

সকলের সাথে সকল বিষয় এ একমত হওয়ার ভান করা।

কারো কোন মতামতের সাথে এক মত না হতে পারলেও দরজ ধরে বিষয়টি ধৈর্য্য ধারন করে বিনয়ের সাথে শোনা দারুণ একটি সামাজিক দক্ষতা । কিন্তু নিজের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে অন্নের মতের সাথে তাল মেলানো ভাল একটি ব্যাপার না। হয়তো সবার কাছে ভাল হওয়ার জন্যই আপনার সবার সাথে তাল মেলাচ্ছেন। কিন্তু এটি আপনার ব্যক্তিত্ব সাথে মটেও যায় না। 

অন্য মানুষের সুখী ও দুঃখী হবার জন্য নিজেকে দায়ী ভাবেন।

অন্য মানুষের সুখী ও দুঃখী হবার জন্য নিজেকে দায়ী ভাবেন।

এটা খুবি ভাল অভ্যাস যে আপনি নিজের মধ্যে একটা বোধ কাজ করাতে পারেন। আপনার আচরণের প্রতি অন্নের আবেগ অনুভতি নির্ভর করছে। কিন্তু আপনি যদি ভেবে থাকেন যে, সকলকে খুশি রাখার দায়িত্ব আপনার উপরই বর্তায় ও সকলকে খুশি আপনাকেই রাখতে হবে। তবে আপনি খুব ভুল কথা ভাবছে।

আপনি খুব ঘন ঘন সরি বলেন

আপনি খুব ঘন ঘন সরি বলেন

এর পেছনে সব বড় কারন হল, আপনি সব কিছুতেই নিজেকে দোষারোপ করেন। আপনি সব সময় ভয় পান যে, যে কোন কিছু বা কোন ঘটনার জন্য আপনার আশেপাশের মানুষ জন আপনাকেই দোষারোপ করবে। যার কারনে অকারণে আপনি শুধু সরি বলতে থাকেন। যা অনেক বড় একটি চারিত্রিক ত্রুটি।

আপনার মাথার উপর অনেক বেশি কাজের বোঝা থাকে।

আপনার মাথার উপর অনেক বেশি কাজের বোঝা থাকে।

আপনার জীবন ত বটেই, আপনি প্রতিদিন কি কি কাজ করবেন আর কি করবেন না এটার সিধান্ত একান্তই আপনার। তবে আপনি যদি আপনার খুশির বাইরে অন্নের খুশির প্রাধান্য দিতে থাকেন, তবে সব সময় আপনার মাথার উপর কাজের অনেক বোজা হয়ে থাকবে।

কেউ যদি আপনার উপর রেগে থাকে তবে আপনি খুব অসস্থিতে ভোগেন।

আপনার উপর কেউ রেগে আছে তার মানে এই নয় আপনি কিছু করেছেন। মানুষের আবেগ সবসময় কারন মেনে চলে না।

আপনি যখন যার সাথে থাকেন তার মতই আচরণ করেন।

ভিন্ন ভিন্ন মানুষের সাথে চলার সময়, মেশার সময় আপনার আচরণে ভিন্নটা আসবে এটা খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। ব্যাখ্যা করে বলি। কারন যারা সবসময় অন্যকে খুশি রাখতে চান, তারা আচরণের এই ভিন্ন মাত্রাকে অতিক্রম করে ফেলেন। অনেক সময় তারা এমন আচরণ করেন, যা তাদের স্বভাব চরিত্র একেবারেই খাপ খায় না।

আপনি সব সময় নিজের প্রশংসা শুনতে চান

যে কোন ক্ষেত্রেই মানুষ নিজের প্রশংসা শুনতে মানুষ ভালবাসে। কিন্তু আপনি যখন সবসময় অন্যকে খুশি রাখার চেষ্টায় মগ্ন থাকেন। তাদের ক্ষেত্রেও এই ব্যাপারটি হয়ে থাকে একেবারেই ভিন্ন। আপনি সব সময় প্রশংসা শুনেই খুশি থাকেন না, সব সময় সকল ক্ষেত্রে এই খুজেও বেড়ান। এবং এটি সবসময় চান। নিজের প্রতি আপনার বিশ্বাস আস্থা এতই কমতে থাকে যে অন্নের মতামতের উপর আপনার নির্ভর করতে হয়।

আপনি কষ্ট পেলেও সেটি স্বীকার করতে চান না।

আপনি কখনোই কোন সুস্থ সুন্দর পরিচ্ছন সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন না।যদি না আপনি আপনার সত্যিকারে আবেগ অনুভূতিগুলোকে স্বীকার করতে সেখেন। এটি খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার যে আপনি আপনার চারপাশের মানুষের কাছ থেকে কষ্ট পাবেন। এটাকে স্বীকার করে, তাদেরকে জানানোর মাধ্যমে আপনি কোন ভুল কাজ করছেন না। বরং আপনি সম্পর্কটা আরো মজবুত করছেন। অন্নের খুশি অখুশির ব্যাপারগুলো যদি আপনার মনে খুব বেশি কাজ করতে থাকে। তবে আপনি কাজটি কখনোই করতে পারবেন না।আপনার রাগ, জেদ, মনকষ্ট, হতাশা আপনি আপনার মধ্যেই চেপে রেখে দেবেন।যা আপনার জীবন উন্নতির ক্ষেত্রে বড় একটি বাধা।