৫৩তম বিশ্ব ইজতেমা শেষ হয়ে গেল আখেরি মোনাজাত দিয়ে

সকলের প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে ধর্ম প্রান মানুষরা জমায়েত হতে থাকে ইজতেমায়,
প্রচণ্ড ভিড়ে তিল ধারণের ঠাঁই নেই টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে। ট্রেনের ভেতর, ছাদে সব জায়গায় মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল।

মোনাজাতরত মুসল্লিরা

মোনাজাতরত মুসল্লিরা

তাবলিগ জামাতের সবচেয়ে বড় জমায়েত ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শেষ হয়ে গেল আজ

প্রচণ্ড ভিড়ে তিল ধারণের ঠাঁই নেই টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে। ট্রেনের ভেতর, ছাদে সব জায়গায় মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল।সকলের প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে ধর্মপ্রান মানুষরা জমায়েত হন ইজতেমায়।

ইজতেমায় সব মুসলমানের মঙ্গল কামনা করা হয়। মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নেয়।

তুরাগ তীরেরইজতেমা ময়দান ছাড়াও দক্ষিণে খিলক্ষেত, উত্তরে বোর্ডবাজার, পূর্বে টঙ্গী বিসিক শিল্পনগরী ও পশ্চিমে আশুলিয়া পর্যন্ত প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় লাখ লাখ মানুষ শামিল হয় এই মোনাজাতে।

আখেরি মোনাজাতকে কেন্দ্র করে ভোরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। গাজীপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারো মুসলমান শীতের মধ্যে পায়ে হেঁটেই রওনা হন টঙ্গীর পথে।

মোনাজাতের আগে ইজতেমা ময়দানে চটের সামিয়ানার নিচে বয়ান শোনেন লাখো মানুষ। ময়দানে জায়গা না পেয়ে আশেপাশের অলিগলি ও রাস্তায় পাটি, খবরের কাগজ, পলিথিন বিছিয়ে তাতেই অবস্থান নেন অনেকে।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে বহু নারীও এসেছিলেন মোনাজাতে অংশ নিতে। ময়দানে ঢোকার অনুমতি না থাকায় তারা আশপাশের বিভন্ন কারখানা ও আবাসিক ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে মোনাজাতে হাত তোলেন।

ট্রেনের ভেতর, ছাদে সব জায়গায় মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল

ট্রেনের ভেতর, ছাদে সব জায়গায় মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল

যে যেভাবে পারছেন মনাজাতে শরিক হচ্ছেন

যে যেভাবে পারছেন মনাজাতে শরিক হচ্ছেন

ijtema 2018 bangladesh