স্টিফেন হকিংয়ের অজানা কিছু তথ্য ।

Life would be tragic if it weren't funny’’ অর্থাৎ, জীবনে মজা না থাকলে তা দুঃখে পরিণত হয়। একদমই ঠিক এমন মানুষ হয়তো যুগে যুগে আসবে না। আজকের এই দিনে তিনি চলে গেলেন । তাঁর অগণিত জ্ঞান ভান্ডার থেকে কিছু তথ্য আপনাদের সামানে তুলে ধরছি।

মহাকাশে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে তোলা ছবি

মহাকাশে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে তোলা ছবি

তাঁর চেষ্টা ছিলও অদম্য আর এই কারণেই শারিরীক অক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, ২০০৭ সালে, ৬৫ বছর বয়সে তিনি মহাকাশে গিয়েছিলেন। মাধ্যাকর্ষণ শূন্য হয়ে গেলে ঠিক কেমন অনুভূতি হয়, সেই অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন তিনি।তবে মহাশূন্যে ভেসে বেড়ানোর সময়, নিজের সর্বক্ষণের সঙ্গী, হুইল চেয়ারটি ত্যাগ করেছিলেন হকিং। আর মহাকাশে ডিগবাজিও খেয়েছিলেন ।

ক্রিস্ট ধর্মের সর্বোচ্চ যাজক, পোপ দ্বিতীয় জন পলকে কটাক্ষ করেছিলেন সরাসরি

ক্রিস্ট ধর্মের সর্বোচ্চ যাজক, পোপ দ্বিতীয় জন পলকে কটাক্ষ করেছিলেন সরাসরি

ক্রিস্ট ধর্মের সর্বোচ্চ যাজক, পোপ দ্বিতীয় জন পলকে কটাক্ষ করেছিলেন সরাসরি। ‘মেন্টালফ্লস’ নামে এক সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাটিকান সিটিতে অনুষ্টিত এক ‘কসমোলজি কনফারেন্স’-এ, পোপ তাঁকে বিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কে কোনও বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব না দিয়ে, বলেছিলেন সব কিছুই সৃষ্টিকর্তার  সৃষ্টি’ বলতে। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই তা মেনে নেননি হকিং।

স্টিফেন হকিং-কে বলা হয়ে থাকে ব্ল্যাক হোল থিওরি’র জনক

স্টিফেন হকিং-কে বলা হয়ে থাকে ব্ল্যাক হোল থিওরি’র জনক

আপনি কি জানেন স্টিফেন হকিং-কে বলা হয়ে থাকে ব্ল্যাক হোল থিওরি’র জনক। ১৯৯৭ সালে মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী জনপ্রেসকিল তাঁর সঙ্গে ‘বাজী’ ধরেছিলেন যে, ব্ল্যাক হোল থেকে কিছুই বেরিয়ে আসতে পারে না।কিন্তু, ২০০৪সালে, তিনি পরাজয় মেনে নিয়ে নিজের ভুল শিকার করে নেন।

২০০৯ সালে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পুরস্কারে ভূষিত হন

২০০৯ সালে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পুরস্কারে ভূষিত হন

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পুরস্কারে ভূষিত করেন ।

এছাড়া তিনিঃ

*জ্যোতির্বিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলির ৩০০ তম মৃত্যুদিবসে জন্ম হয় স্টিফেন হকিং-এর। তাঁর জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি। আর গ্যালিলিও মারা গিয়েছিলেন ১৬৪২ সালের ৮ জানুয়ারি।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়ে, স্টিফেন হকিং সেখানকার রোয়িং টিমেযোগ দেন। তাঁর নাকি শুধু পড়াসোনা করতে ‘বোর’ লাগত। তবে এই তথ্যটা পাওয়া গিয়েছে একটিসায়েন্স ওয়েবসাইট থেকে ‘HowStuffWorks’-এ।

ছোটবেলায় থেকেই তিনি ছিলেনপড়াশোনায় একেবারেইসাধারণ। তবে, নানা বিষয়ের বই পড়তে ভালবাসতেন তিনি। যার ফলে, সমবয়সীদেরতুলনায় বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল খুব বেশি। বন্ধুরা তাই তাঁকে ‘আইনস্টাইন’ বলেই ডাকত পছন্দকরতেন।

বিশ্বখ্যাত আরও এক পদার্থবিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন জন্মেছিলেন ১৮৭৯ সালের ১৪ মার্চ এই দিনে। আজও ১৪মার্চ, চির বিদায় নিলেন এ যুগের নামী পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

stephen hawking information about stephen hawking in bangla about stephen hawking