মানুষ মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য।

জীবনধারা।

পাকিস্তানে মান্নান ও তার পরিবার !

পাকিস্তানে মান্নান ও তার পরিবার !

কাজী মান্নান,একজন পাকিস্তানি অধিবাসী।তিনি ছোট বেলা থেকে অভাব দেখাছেন।অভাব কে অনুভব করতে শিখেছন।শুধু নিজের অভাবে কষ্ট পাননি,আশেপাশের অন্য অভাবী ব্যাক্তির অভাবে দুঃখ পেয়েছেন।তার মা বলতেন,নিজের খেয়ে পড়ে যদি এক দানাও বেশি থাকে তাইলে তা অন্য অভাব দুস্থ কে দিয়ে দাও,তার সামান্য খুশিতে তুমি অনেক খুশি হবে।বড় হবার পর ও মান্নান তার মার দেয়া শিক্ষা ভুলে নি।বড় হবার পর ওয়াশিংটন এ সে যায় কাজের সন্ধানে,এবং একটি গ্যাস স্টেশন এ তার চাকরি হয়।তখন সে আশেপাশের অভাবী গরিব মানুষ দের দেখত যারা কিনা ময়লার ডাস্টবিন এ খাবার খুজে বেড়াত।এদের কে দেখে মান্নান এর মন হাহাকার করে উঠত,তখন সে তাদের কোন সহযোগিতা করতে না পারলে মনে মনে ওয়াদা করে যে একদিন সুযোগ পেলে অবশ্যই এই অভাবী মানুষ দের মুখে অন্ন তুলে দিবে সে।

মান্না একজন গৃহহীন মানুষের সঙ্গে।

মান্না একজন গৃহহীন মানুষের সঙ্গে।

তার স্বপ্ন ছিল একদিন বড় একটি রেস্টুরেন্ট দিবে এবং এই অভাবী মানুষ দের পেট পুড়ে খাওয়াবে।তার এই স্বপ্ন পূরণ হল একদিন।বাস্তবে রূপ নিল তার স্বপ্ন।

সে চাকরি করে যখন ভাল পরিমাণ এ টাকা জমালো তখন সে ১১k street kw এর একদম কোনার একটি দোকান কিনলো,যা কিনা ওয়াইট হাউজ থেকে মাত্র এক ব্লক দূরে ছিল।দোকান টি খুব পুরাতন ছিল।এসব মেরামত করতেই তার অনেক খরচ হয়ে গেল।

তারপর সে তার রেস্টুরেন্ট টি ওপেন করল এবং গরীব অসহায় এর জন্য তার দোকান উন্মুক্ত করে দিল।প্রথমে কেউ তাকে বিশ্বাস করল না,ভাবল এই হইত মিথ্যা।কিন্তু ধীরে ধীরে অভাবী তারে রেস্টুরেন্ট এ গেল এবং সে তাদের আপ্যায়ন সহ খাবার খাওয়াল।ধীরে ধীরে সে সবার মাঝে পরিচিত হতে লাগল।

মান্না একজন গৃহহীন মানুষের সঙ্গে।

মান্না একজন গৃহহীন মানুষের সঙ্গে।

সবার কাছেই তারা উত্তম মানুষ এ পরিনত হতে লাগল।তারা এখন অব্দি প্রায় ১৬০০০ মানুষকে বিনাপয়সায় খাবার দিয়েছেন,তাদের যত্ন নিয়েছে।এতে তাদের ব্যবসায় কোন লোকসান হয়নি।তাদের ইচ্ছা তারা প্রতি বছর প্রায় ছয় হাজার অভাবী মানুষ কে বিনামূল্য এ খাবার দিবে।

মান্নান শুধু একা নন।তার  এর কিছু মানুষ তাকে এই কাজে আপ্রান সাহায্য করছে।তার ভাই এই রেস্টুরেন্ট এর বার্বুচী।তার বড় ছেলেও সুযোগ পেলেই বাবার কাজে সাহায্য করে।

মান্নান এর মার কথা অনুযায়ী মান্নান তার স্বপ্ন পূরন করল,কিছু দুস্থ কে খাবার দিল।সত্যিই এমন মানুষ এখন পাওয়া দুস্কর।