মানুষের বয়স পিছিয়ে দেবে অস্ট্রেলিয়ার এক দল গবেষক

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের. . .

কোন রূপকথার গল্পে যেমনটি দেখা যায় চমৎকারী কিছু খাওয়ার মাধ্যমে নিজের বয়েস কমিয়ে ফেলা যায়, আর মনে মনে আপনি ও ভাবতে থাকেন ইসসস যদি এমন কিছু পাওয়া যেতে, আর যদি এমনটা সত্যি বাস্তব হয় তাহলে? হা পাঠক আপনি সত্যি ই পরছেন, আর যৌবন ফিরে ফেতে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে সন্ধান মিলছে এমটি।    

এই ব্যাপারে আরো জানা যায় ক্যানসার ও বয়স গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় মানুষ এর বয়স কমিয়ে ফেলার ওষুধ উদ্ভাবন করেছেন একদল অস্ট্রেলীয় গবেষক।সব থেকে বড় বিষয় হলো নতুন এ ওষুধের সৃষ্টির ফলে পাল্টে যেতে পারে মানুষের বেঁচে থাকার ও মৃত্যুর ধরন। এমনটিই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেবৃন্দ।

অধ্যাপক ড. কেন ও ব্রায়েন বলেন, ‘আমি রিতিমত এ আবিষ্কার দেখে ভীষণ অভিভূত ও শিহরিত হয়েছি। প্রাথমিক পর্যায় যে ফর্মুলাটি পেয়েছি তাতে করে একজন ৬০ বছর মানুষ যে কোশের গঠন থাকে তা ফিরিয়ে ৪০ বছর বয়সী কোষে রূপান্তর করে ফেলা যাবে।’ এবং আবিষ্কৃত এ ওষুধের মাধ্যমে ডিএনএ-এর পরিবর্তন রোধ করা যাবে। এতে হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার,  কোলেস্টেরল ও বাত জনিত মতো ডিএনএ পরিবর্তন করে রোগও প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে গবেষকরা জানান।

আর এই সব রোগীদের ও চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে এই ওষুধের মাধ্যমে। খুব অছিরেই এই নতুন সম্ভবনার দ্বার উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন । ২০১৯ সালের নাগাদ ওষুধটি মানুষের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে। কিন্তু এই ওষুধটি বানাতে তাদের প্রয়োজন  আনুমানিক ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ।

গবেষণা দলের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের  নতুন এ আবিষ্কারের কথা জানিয়ে বলেন

যৌবন ধরে রাখার ওষুধ

যৌবন ধরে রাখার ওষুধ

উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. কেন ও ব্রায়েন

উদ্ভাবক অধ্যাপক ড. কেন ও ব্রায়েন

গবেষণাগারে চলছে পরীক্ষা নিরীক্ষা

গবেষণাগারে চলছে পরীক্ষা নিরীক্ষা