মানব দেহের উপকারি কিছু ভেষজ উদ্ভিদের ঔষধী গুন

আধুনিক জীবন আমরা ডাক্তার ও ওষুধ উপর ভরসা করে থাকি, কিন্তু যতো চিকিৎসায় করা হোক না কেন মানব জীবন এ গাছ-গাছালির গুণাগুণ অপরিসীম। আসুন দেখে নেওয়া যাক কি কি গাছে কি কি গুনাগুন রয়েছে..

অর্জুন গাছঃ অর্জুন গাছে রয়েছে চর্ম ও যৌনরোগের চিকিৎসা ও হৃৎপিণ্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে

অর্জুন গাছঃ অর্জুন গাছে রয়েছে চর্ম ও যৌনরোগের চিকিৎসা ও হৃৎপিণ্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে

নিম পাতাঃ নিমের গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না । নিমের বহু গুন আর ব্যাপক ব্যবহারের জন্য সারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে গ্রাম্য ডাক্তার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

নিম পাতাঃ নিমের গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না । নিমের বহু গুন আর ব্যাপক ব্যবহারের জন্য সারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে গ্রাম্য ডাক্তার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ত্বকের যত্ন- নিমের তেল বানিয়ে মুখে ব্যবহার করলে আপনার ব্রন হয় হবে না

খোস পাচড়া বা চুলকানি- নিম পাতা সিদ্ধ করে ঐ পানি দিয়ে গোসল করুন আপনার খোসপাচড়া চলে যাবে। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে  লাগান যদি আপনার চুলকানি থাকে তবে টা ভাল হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ্‌।

অজীর্ণ- অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ? পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটানিম পাতার রস, এককাপ পানির ৪/১ ভাগ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

দাতের রোগ- নিমের পাতা ও ছালের গুড়াকিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগথেকেও।

ডায়াবেটিস রোগ- সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

জন্ডিস- জন্ডিস হলে প্রতিদিন সকালে বাচ্চাদের জন্য ৫-১১ ফোঁটা,বয়স্কদের জন্য ১ চামচ নিমপাতার রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে।

পোকা-মাকড়ের কামড়- পোকা মাকড় কামড় দিলে বাহুল ফোঁটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

উকুন নাশক- উকুন মারতে নিমের পাতা বেটেহালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক রেখে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরেযাবে

চিরতাঃ এর স্বাদ তেতো হলেও এই ফলটির রয়েছে নানান গুণ

 চিরতাঃ  এর স্বাদ তেতো হলেও এই ফলটির রয়েছে নানান গুণ

সাধারণত চিরতা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সে পানি পান করা হয়। প্রাচীন ভারতে এটি ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। নিয়মিত সকালে খালি পেটে চিরতার পানি পান করলে পেট পরিষ্কার থাকে।

তবে মনে রাখা দরকার, দিনে একগ্লাসের বেশি চিরতার পানি খাওয়া ঠিক না।

১. চিরতা শরীরের বিভিন্ন অংশের জ্বালাপোড়া দূর করে। জ্বর, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্যানসার, পাইলস, চর্মরোগ ও অন্ত্রের কৃমি দূর করে। একইসঙ্গে চিরতা লিভার ও পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ায়, ক্ষুধা উদ্দীপক এবং হজমে সহায়তা করে।

২. ত্বকের যে কোনো সমস্যা যেমন- ব্রণ, ইনফেকশন, জ্বালাপোড়া, দাগ, চুলকানি, লালচে ভাব, পোড়াদাগ দূর করতে চিরতার পানি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে ফুসকুড়ি রয়েছে তারা গোসলের পানিতে চিরতার রস ব্যবহার করতে পারেন।

৩. চিরতা রক্ত থেকে টক্সিন দূর করে ও রক্ত পরিষ্কার করে। ডায়রিয়া ও জন্ডিস নিরাময়ক এ ভেষজ উপাদানটি চোখ, হার্ট এবং অ্যাজমা রোগীদের জন্যও সমান উপকারী।

৪. চিরতার পানি ডায়াবেটিস রোগীদের শারিরীক দুর্বলতা কাটিয়ে তোলে ও ব্লাড সুগার স্বাভাবিক রাখে।

৫. চিরতার তিক্ততা মুখের লালাগ্রন্থি থেকে লালা নিঃসরণ ও পাচক রস উৎপাদনে সহায়তা করে। ফলে অতিরিক্ত তেষ্টাবোধ ও মাংসপেশির স্ফীতি রোধ হয়।

যেভাবে খাবেন: