মানব কল্যাণে বিজ্ঞানীদের কিছু বিস্ময়কর প্রযুক্তি

বিজ্ঞান মাবন জাতির জন্য এক আশীর্বাদ বটে, বিজ্ঞানীদের কল্যাণে কত কিছুই না আমাদের সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা অনেকই জানিনা যারা এই সব প্রযুক্তি আবিষ্কার করছে তাদের না। তাই চলুন জেনেই কিছু বিজ্ঞানীদের নাম।

কম্পিউটার → চার্লস ব্যাবেজ,যুক্তরাস্ট্র (১৮৩৬)

কম্পিউটার → চার্লস ব্যাবেজ,যুক্তরাস্ট্র (১৮৩৬)

প্রযুক্তির যে কাজ গুলো আমারা করে থাকি তার সব থেকে বড় অবদান হলো এই কম্পিউটারে মধ্যমেই আমরা করে থাকি। আমাদের জীবনে অপরিহার্য একটি জিনিষ।

যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর → চার্লস ব্যাবেজ (১৮২২)

যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর → চার্লস ব্যাবেজ (১৮২২)

পরীক্ষার হল, দোকান, ব্যবসা বাণিজ্যের কোথায়  নেই এই যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর। আপনার সব হিসাব ঠিক থাক মত বের করে দিতে তার জুরি নেই।

অণুবীক্ষণ যন্ত্র → লিউয়েন হুক,যুক্তরাস্ট্র (১৪৪৩)

অণুবীক্ষণ যন্ত্র → লিউয়েন হুক,যুক্তরাস্ট্র (১৪৪৩)

অণুবীক্ষণ যন্ত্র. অণুবীক্ষণযন্ত্র (Microscope) অণুজীব বিজ্ঞান পরীক্ষাগারের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। এই যন্ত্রের সাহায্যে যে সকল বস্তু খালি চোখে দেখা যায় না তাদের দেখা যায়। এর সাহায্যে কোনো বস্তুকে প্রায় ১০০ থেকে ৪০০০০০০ গুন বড় করে দেখা যায়

টেলিফোন → আলেকজেন্ডার গ্রাহামবেল, যুক্তরাস্ট্র (১৮৭৭)

টেলিফোন → আলেকজেন্ডার গ্রাহামবেল, যুক্তরাস্ট্র (১৮৭৭)

কালো টেলিফোন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় টেলিফোন সেট. টেলিফোন, দূরভাষ বা দূরালাপনি একটি যোগাযোগ মাধ্যম। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল এর আবিষ্কারক। তারের মাধ্যমে কয়েক গজ থেকে কয়েক হাজার মাইল দুরের মানুষের সাথে কথা বলার জন্য এ এক অভিনব যন্ত্র। বর্তমানে এর অনেক উন্নতি হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। বর্তমানের বহুল ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ভাবনের ধারণা এখান থেকেই এসেছে।

উড়োজাহাজ → রাইট ব্রাদারস,যুক্তরস্ট্র (১৯০৩)

উড়োজাহাজ → রাইট ব্রাদারস,যুক্তরস্ট্র (১৯০৩)

মানুষ কি কখনো ভেবেছে পাখির মত একদিন আকাশে উড়তে পারবে? পৃথিবীর এক প্রান্তে থেকে আরেক প্রান্তে মুহূর্তে মদ্ধে আপনাকে নিয়ে যাবে, এই উড়োজাহাজ।  মূলত রাইট ভ্রাতৃদয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। ১৯০৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর অরভিল এবং উইল্ভার রাইট প্রথম মানুষের ভাসমানের সম্ভাব্যতা নিয়ে পরীক্ষা চালান। আর বাণিজ্যিকভাবে ১৯১১ সালে এরোপ্লেন আবিষ্কার করা হয়।

বৈদ্যুতিক বাতি→ আলভা এডিশন, যুক্তরাজ্য। (১৮৭৮)

বৈদ্যুতিক বাতি→ আলভা এডিশন, যুক্তরাজ্য। (১৮৭৮)

সারা পৃথিবী যে আলোকিত করেছে তার নাম আলভা এডিশন। অন্ধকার থেকে মুক্তি মেলেছে। এই আবিষ্কার না হলে হয়তো আমাদের এখনও হারিকেন মোমবাতি জ্বালিয়ে থাকতে হতো। 

বেতার যন্ত্র → গুলিয়েলমো মার্কোনি। (১৮৯৪)

বেতার যন্ত্র → গুলিয়েলমো মার্কোনি। (১৮৯৪)

 গুলিয়েলমো মার্কোনি বেতার যন্ত্রের সম্প্রচার পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তিনি একটি ব্যবহারিক রেডিওগ্রাফ পদ্ধতি তৈরি করেছিলেন। এই উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করেই বিশ্বের অসংখ্য ব্যবসায়িক ও প্রাযুক্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। ১৯০৯ সালে কার্ল ফের্ডিনান্ড ব্রাউনের সাথে যৌথভাবে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বেতার সম্প্রচার পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপনের জন্যই তাদেরকে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

মধ্যাকর্ষণ সূত্র→ নিউটন,যুক্তরাজ্য (১৬৮৭)

মধ্যাকর্ষণ সূত্র→ নিউটন,যুক্তরাজ্য (১৬৮৭)

এই মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু কণাদ্বয়ের ভরের গুণ ফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

টেলিভিশন → জন এল বেয়ার্ড,যুক্তরাজ্য (১৯২৬)

টেলিভিশন → জন এল বেয়ার্ড,যুক্তরাজ্য (১৯২৬)

২ অক্টোবর বেয়ার্ড ইতিহাসের প্রথম টিভি নিয়ে হাজির হলেন সবার সামনে। এটাতে প্রতি সেকেন্ডে ১২.৫টা করে ছবি দেখা যেতো। অর্থাৎ, প্রথমবারের মতো টিভির মাধ্যমে চলমান প্রোগ্রাম দেখানো সম্ভব হলো। শুরু হলো পৃথিবীতে টেলিভিশন অধ্যায়।