যান্ত্রিক এই নগরে একটু দম ফালানোর সুযোগ নেই , আজকের এই টিপিসটি শুধুমাত্র যারা খুব বেশি বেস্ত থাকেন কাজকর্মে তাদের জন্য।তাদের শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য কিছু করণীয়। শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টি মূলত আপনি যতটা কঠিন ভাবছেন ঠিক তার বিপরীত। এটি খুবই সহজ। এর জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিজের ইচ্ছাশক্তি এবং যদি আপনি শারীরিক ক্রিয়াগুলোকে আপনি আপনার প্রতিদিনের রুটিনে যুক্ত করে নেন।
বেস্ত মানুষদের শারীরিকভাবে ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য কিছু করণীয় টিপস।
13
views

১. শারীরিক ব্যামের জন্য দিনের একটি বিশেষ সময় বেছে নিন এবং কঠোরভাবে তা পালন করুন। আপনার জন্য এই কাজটি আরও বেশি সহজ হবে যদি আপনি সপ্তাহের কিছু নির্দিষ্ট দিনে এবং নির্দিষ্ট সময়ে শারীরিক ব্যামে নিজেকে অভ্যস্ত করতে পারেন।

২. আপনার সারাদিনের কাজগুলোকে যথাযথভাবে সময় ভাগ করে নিন। আপনি যদি পর্যায়ক্রমে ১০ মিনিট করেও নিজেকে আলাদা করে সময় দিতে পারেন ব্যামের জন্য তাহলেও আপনি আপনার লক্ষে পৌছুতে পারবেন। 

৩. আপনার বাচ্চাদেরকে হেঁটে স্কুলে নিয়ে যান এবং নিয়ে আসুন। এতে করে আপনার পাশাপাশি তাদেরও নিয়মিত শারীরিক ব্যামের একটি অভ্যাস গড়ে উঠবে। ( যদি স্কুল দুরুত্ব খুব বেশি না হয়)

৪. বাচ্চাদের সাথে আরও সক্রিয় হয়ে উঠুন। তাদেরকে নিয়ে সুইমিং পুলে যান, পার্কে বা বাগানে খেলতে নিয়ে যান।

৫. প্রতিদিন সকালে অল্প অল্প করে দৌড়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই। সকালের স্নিগ্ধ আবহাওয়ায় বের হলে আপনি মানসিকভাবে বেশ তাজা অনুভবও করবেন বটে।

৬. শরীরের শক্তি এবং নমনীয়তাকে বৃদ্ধি করুন। ৫ সপ্তাহের একটি পরিকল্পনা হাতে নিন। অনলাইনে একটু ঘাটাঘাটি করে আপনার জন্য সার্বিকভাবে উপযুক্ত কিছু টিপস গ্রহন করুন। 

৭. জিমে ভর্তি হতে পারেন। তবে এমন কোন জিমে ভর্তি হবার চেষ্টা করুন যেখানে বাচ্চাদের খেয়াল রাখার ব্যবস্থাও বিদ্যমান। তাহলে আপনি ব্যাম করার সময় আপনার বাচ্চাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকবেন না।

৮. আপনার আশপাশের অন্যান্য পিতা-মাতাদের সাথে মিলে একটি গ্রুপ তৈরি করে ফেলুন যারা আপনার মতই স্বাস্থ্য সচেতন। অতঃপর, তাদের সাথে দল বেধে বেরিয়ে পরুন বাচ্চাদের নিয়ে লম্বা সময় ধরে হাটার জন্য। 

৯. মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির সময় আপনি কিছুটা সময় নিজের স্বাস্থ্যকে দিতে পারেন। সুবিধামত যেকন ব্যাম চেষ্টা করতে পারেন ঐ সময়টাতে। 

১০. যদি আপনি সাইকেল চালাতে পারেন তাহলে নিজেকে শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখার কাজটি আপনার জন্য হয়ে উঠবে একই সাথে সহজ এবং আনন্দের! চেষ্টা করুন সময়/সুযোগ পেলেই বাহিরের যেকন কাজে সাইকেল ব্যাবহার করতে। সকালে হাটা বা দৌড়ানোর পরিবর্তে চাইলে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পরতে পারেন। 

YOUR REACTION?

Facebook Conversations