বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গলে রহস্য

রহস্য ঘেরা ও ভয়ঙ্কর এক জায়গার নাম বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গলে

রহস্য ঘেরা ওভয়ঙ্কর এক জায়গার নাম বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গলে অনেক তত্ত্ব-তালাশ করেও, গত অর্ধশতাব্দী ধরে যে ধাঁধার কোনও উত্তর মেলেনি, সম্প্রতি তারজট খুলেছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।

কেন বারমুডাট্র্যায়াঙ্গলে হারিয়ে যায় জাহাজ? কেনই বা নিখোঁজ হয়ে যায় বিমান? আর তার পর সেইজাহাজ বা বিমানগুলোর আর কোনও হদিস মেলে না। এমনকী খুঁজে পাওয়া যায় না তাদেরধ্বংসাবশেষও।

হাজারও তত্ত্ব-তালাশ করেও, গত অর্ধশতাব্দী ধরে যে ধাঁধার কোনও উত্তর মেলেনি, সম্প্রতি তারজট খুলেছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বারমুডাট্র্যায়াঙ্গলে সমুদ্রের একেবারে তলদেশে কয়েকটি সুবিশাল আগ্নেয়গিরি রয়েছে। তারজ্বালামুখ থেকে গলগল করে বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত মিথেন গ্যাস। অসম্ভব রকমের গরমঅন্যান্য গ্যাসও। ওই সুবিশাল আগ্নেয়গিরিগুলি থাকায় আর সেগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণেমিথেনের মতো বিষাক্ত গ্যাস বেরিয়ে আসায় সমুদ্রের তলদেশে জলজ প্রাণীদের পক্ষেও বেঁচেথাকাটা সম্ভব হয় না। সেই মিথেন গ্যাসই সমুদ্রের তলদেশ থেকে উঠে এসে পানির ওপরবুঁদবুঁদ তৈরি করে। পানিকে আরও ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তোলে। গ্যাসে চারপাশ ঢেকে যায় বলেজাহাজের নাবিকের পক্ষে তো আর কিছু দেখা সম্ভব হয়ই না, এমনকী, তা কম্পিউটারেরনেভিগেশন ব্যবস্থাকেও বিগড়ে দেয়। ফলে পথ হারিয়ে ফেলা ছাড়া জাহাজের নাবিকের আরকিছুই করার থাকে না। একই কারণে, পথ হারিয়ে ভেঙে পড়ে বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গলের ওপরদিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানও।

নরওয়ের আর্কটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একেবারে হালে নরওয়েরউপকূলে ব্যারেন্টস সাগরের তলদেশে ওই সুবিশাল আগ্নেয়গিরিগুলোর সন্ধান পেয়েছেন। তারাজানাচ্ছেন, ওই মিথেন গ্যাস সমুদ্রের পানির অন্তত ১৫০ ফুট ওপরপর্যন্ত ছড়িয়ে থাকে। আর তা ছড়িয়ে থাকে আধ মাইল এলাকা জুড়ে।