প্রতিযোগিতায় পিষ্ট কিছু কোম্পানির কাহিনী।

বিশ্ব সংবাদ।

বর্তমান পৃথিবী প্রতিযোগিতা ময়।এমন কোন জায়গা নেই যেখানে কোন প্রতিযোগিতা নেই।আর তা যদি হয় কর্মক্ষেত্র অথবা ক্যারিয়ার তৈরীর মঞ্চ তাইলে ত কথাই নেই।আর এই প্রতিযোগিতা থেকে কখন যে প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু গড়ে উঠে তা বলা মুশকিল।এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী এর কারনে বিলীন হয়ে গেছে ক্যারিয়ার জগত থেকে।এমনি কিছু প্রতিষ্ঠান নিয়েই আজকের আলোচনা।

৬.ত্রিশ বছর হবার পূর্বেই উইলিয়াম বয়েলিং আমেরিকার স্বপ্নে পরিনত হয়।খুব কম বয়েসে আমেরিকায় এসে নিজেকে গড়ে তুলেন তিনি।মার্টিন কোম্পানি থেকে তিনি একটি প্লেন কিনেন যা খুব অল্প সময়েই ক্রাশ হয়ে যায়।এরপর তিনি চ্যালেঞ্জ করেন মার্টিন থেকে ভাল প্লেন তিনি বানায়ে দেখাবেন এবং তা তিনি করেছেন ও।

এক

এক

আমাদের জানা মতে পৃথিবীর সার্চ ইঞ্জিন হল গুগল।আমরা কি জানি গুগল এর আগে আরেকটি সার্চ ইঞ্জিন ছিল,Excite.৯০ শতকের মানুষ এ সম্পর্কে অবগত থাকবেন।সেই সময়ে এর মাধ্যমে গুগল এর ন্যায় কিছুটা কাজ করা যেত,যদিও তা সেইম ছিল না।

দুই

দুই

মাঝেমাঝে পুরানো জিনিস কিনতেও বিলিয়ন ডলায় ব্যয় করতে হয়,শুধুমাত্র পুরান ধারনার জন্য।যেটা netflix করতেছিল।আবার মাঝেমাঝে সদ্য গড়ে উঠা জিনিস এর জন্য ও বিলিয়ন খরচ করতে হয় যাতে সেটা তার পথের কাটায় পরিণত না হয়,যা ব্লক বাস্টার করেনি।

ব্লকবাস্টার নামে হলেও তা কাজে পরিণত হতে পারেনি।কয়েকটির পর ই তা নিচে নেমে যায়,অন্যদিকে নেটফ্লিক্স ২০০০ এ ব্লকবাস্টার কিনতে চাইলে তা মানা করে দেয়া হয়।এখন কেউ ব্লকবাস্টার এর অস্তিত্ব ও খুজে পায়না।

তিন

তিন

আশির দশকের সেরা কুস্তিগির হাগ হোগান।তার সবসাময়িক সময়ে তার মত কুস্তিগির খুব কম ছিল।তার কুস্তি সবাই টিকেট কেটে দেখত।কিন্তু তার অত্যাচারী মনোভাব এর জন্য অনেকেই তাকে ঘৃনা করত।

তাছাড়া কুস্তি সম্পর্কে তার জ্ঞান কিছুটা কম ছিল।এর জন্য মার্কিন রেসলিং এসোসিয়েশন এর মালিক জেনরের সাথে তার ঝামেলা ছিল।তার এসব দোষের জন্যই মার্কিন রেসলিং এসোসিয়েশন তাকে বাদ দিয়ে বিশ্ব কুস্তি খেলে দশ বার জয়ী হয়।

চার

চার

বর্তমানে ভিডিও গেইম বানানো নাসার কোন মহাকাশ যাত্রা অপেক্ষা কঠিন।কিন্তু আশির দশকে একজন দ্বারাই সমস্ত ভিডিও গেইমিং এর কাজ চলত।একজন ই কোড করত,একজনই লিখত।আগে ত ভিডিও গেইম বলতে আটারির ডাইনোসর ছিল।

চার প্রোগ্রামার এর জন্য আটারি বিশ্ব দরবারে উঠেছিল।যখন আটারি অনেক উপার্জন করে কিন্তু তা সেই চার জন প্রোগ্রামার কে ঠিক মত বেতন দেয়না তখন সিইও এর কাছে গেল,তাদের কে অকতৃকার্য দেখিয়ে চাকরি থেকে বের করে দেয়া হয়।কিন্তু তারপর আর কোন ভিডিও গেইম তেমন আলোড়ন সৃষ্টি করেনি।

পাঁচ

পাঁচ

Schwinn ছিল ১৯৭০ সালের সময় সবচে বড় সাইকেলের প্রতিষ্ঠান।কিং লিউ তৎকালীন সময়ে giant manufacturing নামে একটি সাইকেক এর প্রতিষ্ঠান দেয় কিন্তু তা  পুজির অভাবে চলত না।অন্যদিক schwinn রা তাদের খারাপ প্রোডাকশন এর জন্য অন্য কোম্পানি কে ধার করতে চাচ্ছিল, এবং সেই সুযোগে giant তাদের সাথে কাজ করা শুরু করে এবং একটা সময়ে এসে giant রা বেশি সাইকেল উৎপাদন শুরু করে।কিছুদিন পর schwinn এর ট্যাগ সড়িয়ে তারা তাদের ট্যাগ লাগিয়ে বাজারে সাইকেল ছাড়ে,এবং অতি দ্রুত তারা জনপ্রিয় হয়ে যায় এবং অন্যদিকে schwinn কোম্পানি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

ছয়

ছয়

১৯৯৬ সালে স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এর স্টুডেন্ট ল্যারি পেইজ সর্বপ্রথম গুগল আবিষ্কার করেন,যার তৎকালীন নাম ছিল ব্ল্যাক রাব।কিন্তু তখন পেইজ নিজের প্রতিষ্ঠান করতে চাচ্ছিল না বিধায় সে তা তৎকালীন ওয়েব পোর্টাল পেইজ excite কে বিক্রি করতে চাই।তারা নতুন মুখ কে মাত্র $৭৫০,০০০ দিতে চায় তার কাজের জন্য।অন্যদিকে excite এর সিইও গর্জ পেইজ এর বানানো সার্চ ইঞ্জিন কে তাদের কোম্পানির জন্য পারফেক্ট মানতে নাজার।এর জন্য পেইজ পরর্বতীতে নিজের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে যার এখন অব্দি মোট আয় প্রায় $১২০.২ বিলিয়ন,যা excite এর অফার করা টাকা থেকে কয়েক গুন বেশি।