পৃথিবীর ছায়ায় মিলিয়ে যাবে চাঁদ।

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বা সুপার ব্লাড মুন।

আজ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বা সুপার ব্লাড মুন। রাতে পৃথিবীর ছায়ায় মিলিয়ে যাবে যাবে চাঁদ। চাঁদকে দেখা যাবে একটু অন্য রকম রঙে, অন্য রকম চেহারায়। এটি বলা চলে এ বছরের একমাত্র পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশ ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে এই গ্রহণ দেখতে পারা যাবে। তবে নিরাশ হতে হবে বাংলাদেশের মানুষদের তারা দেখতে পারবেন না এই গ্রহণ। শুধু বাংলাদেশ নয়, দেখা যাবে না এশিয়া মহাদেশের কোনো দেশ থেকেও।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তথ্য মতে , আসন্ন ২১ জানুয়ারি (সোমবার) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। টানা চলবে ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।এর মধ্যে ৬২ মিনিট স্থায়ী হবে এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্যাসিফিক স্ট্যান্ডার্ড টাইম (পিএসটি) অনুসারে ২০ জানুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ। দিনে সূর্যের আলোয় ঢাকা পড়ে যায় চাঁদ। এ জন্য বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না সেই গ্রহণ।

এর আগে গত বছরের ২৭ জুলাই শেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল। এরপর ফের ২০২১ সালের ২৬ জুন দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। ২০১৯-এর মাঝামাঝি ফের চন্দ্রগ্রহণ হবে। ১৬-১৭ জুলাই। তবে সেটা আংশিক চন্দ্রগ্রহণ।

‘এবার জানাই সুপার ব্লাড মুন আসলে কী?

আপনি যদি চন্দ্রগ্রহণের চলার সময় যদি চাদের দিয়ে তাকান তবে আপনার মনে হবে আপনি কোন একটা লাল রঙের আভা দেখতে পাচ্ছেন।  প্রতিসরণের (রিফ্র্যাকশান) ফলে আলো পৃথিবী থেকে ঠিকরে চাঁদের অন্ধকার জায়গায় গিয়ে পড়ার জন্যই চাঁদকে লাল রঙের দেখায়। তাই সেই চাঁদকে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’।

super blood moon 2019