নেপালে বিমান দূর্ঘটনার রহস্য উদঘাটন ।

ঘটনাটি হলো, এক রানওয়েতে এক সাথে তিনটি প্লেন অবতরণের অনুমতি দেয় নেপাল ATC. ঐ দেশের ATC 02 ও 20 এই দুইয়ের মাঝে. . .

নেপাল বিমান দূর্ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী

 নেপাল বিমান দূর্ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী

Nepal ATC (Air Traffic Controler)। US Bangla এর কোনো ভুল ছিল না। এবং পাইলট হিসেবে ছিলেন জনাব আবিদ, তিনি ছিলেন খুবই দক্ষ এবং অভিজ্ঞ। 

ঘটনাটি হলো, এক রানওয়েতে একসাথে তিনটি প্লেন অবতরণের অনুমতি দেয় নেপাল ATC. ঐ দেশের ATC 02 ও 20 এই দুইয়ের মাঝে প্যাঁচ লাগায়। পাইলটকে যেই রানওয়েতে নামার জন্য বলা হয়েছিলো সেই রানওয়ে ফ্রি ছিলো না। পাইলট বার বার অনুরোধ করার পরেও দেওয়া হয় ভূল বার্তা। যখন বিমানটি তাদের অনুমতি পেয়ে নামতে যায় তখনই ATCহঠাৎ বিমানটিকে turn করতে হবে। এতে বিমানটি পুরোপুরি কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে। আজ তাদের এই দুই সংখ্যার ভুলের জন্য এতোগুলো জীবন দিতে হলো।  আজকের নেপালে বিমান দূর্ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী Nepal ATC (Air Traffic Controler)। US Bangla এর কোনো ভুল ছিল না। 

নেপাল বিমানবন্দর চালু হবার পর এ যাবৎ ৭০টি বিমান দূর্ঘটনায় ৬৫০ জনের বেশী মানুষ নিহত হয়েছে

নেপাল বিমানবন্দর চালু হবার পর এ যাবৎ ৭০টি বিমান দূর্ঘটনায় ৬৫০ জনের বেশী মানুষ নিহত হয়েছে

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এর আগেও আরো বহু বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমান্ডু উপত্যকায় এবং শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায়ছয় কিলোমিটার দূরে। একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার কারণে এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রায়শই আলোচনা হয়। নেপাল থেকে বিবিসির সংবাদ দাতা বলছেন, বিমানবন্দরটিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোনো বিমান অবতরণের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে, এসব দুর্ঘটনায় ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। বিমানের পাশাপাশি সেখানে হেলিকপ্টারও বিধ্বস্ত হয়েছে। আজ সোমবার বাংলাদেশী একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর নেপালে বিমান চলাচলের নিরাপত্তার দুর্বলতার বিষয়টি আবারও চোখে সামনে চলে এলো। বিশ্লেষকরা বলছেন, নেপালে বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তাদের সমালোচনা হয়েছে। 

উইকিপিডিয়া বলছে, নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হওয়ার কিছু দিন পরইএকটি দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালের মে মাসে। থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান অবতরণ করার সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। তাতে ১০০ জনের মতো যাত্রী ও ১০ জন ক্রু ছিলো। তাদেরএকজন নিহত হয়েছে। ১৯৯২ সালে থাই এয়ার ওয়েজের একটি এয়ারবাস অবতরণ করার জন্যে বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১১৩ জন যাত্রীর সকলেই নিহত হয়।একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হয় আরো একটি বড়ধরনের দুর্ঘটনা। 

২০১১ সালে বুদ্ধ এয়ারের একটি বিমান বিমানবন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় দুর্ঘটনায় ১৯ জন আরোহীর মধ্যে একজন শুরুতে প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হলেও পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান। বলা হয় খারাপ আবহাওয়া ও নিচুতে থাকা মেঘের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিলো। ২০১২ সালে সিতা এয়ারের একটি বিমান উড্ডয়নের পরপরই সম্ভবত একটি শকুনের সাথে ধাক্কা খাওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৯ জন আরোহীর সবাই মারা যান। ২০১৫ সালে তুর্কী এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ঘন কুয়াশার মধ্যে নামতে গিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়ে। ৩০ মিনিট ধরে এটি বিমানবন্দরের উপর উড়তে থাকে।দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় নামতে পারলেও সেটি রানওয়ের থেকে ছিটকে মাঠের ঘাসের উপর চলে যায়। ২২৭ জন যাত্রীকে সেখান থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ২০১৭ সালের মে মাসে সামিট এয়ারলাইন্সের একটি বিমান আর সর্বশেষ দুর্ঘটনার শিকার হলো ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি। যেখানে ৫০জন নিহত। 

crash biman in nepal