ছয়টি দেশের ছয়টি বর্বরতার কাহিনী।

সারাবিশ্ব।

উন্নত দেশ গুলোর উন্নতির পিছনেও লুকিয়ে থাকে হাজারো বর্বতা,অসভ্যতা।যা আমাদের সহজে চোখে পড়েনা।বাইরের পৃথিবী তা এতটা জানেনা।আসুন জেনে নিই ভদ্রতার পিছনে লুকিয়ে থাকা কিছু দেশের অসভ্যতার কাহিনী ।

ফ্রান্স।

ফ্রান্স।

১.সারাবিশ্বে ফ্রান্স উন্নত দেশ গুলোর মধ্যে অন্যতম।আর সম্পর্কের টানাপোড়ন এই দেশটিতে খুবই কম।সব দিকেই দিয়েই দেখতে পারফেক্ট একটি দেশ।কিন্তু আপনি জানেন কি এই দেশে একজন শিশুর ধর্ষনের কোন বিচার নাই!!একজন ১১-১২ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষন করা হলেও সেটিকে সম্মতি সহকারে শারীরিক সম্পর্ক বলে আখ্যায়িত করা হয়।সেখানে ১০ বছরের বালিকা নিজ ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কে তাই সেখানে ধর্ষন এর কোন বিচার পাওয়া যায়না।২০১৭ সালে ২৯ বছরের এক লোক কে গ্রেফতার করা হয় ধর্ষণের অভিযোগে কিন্তু তাকে জামিন দেয়া হয় এটা বলে যে মেয়ে তার নিজ ইচ্ছায় এসেছে।এভাবেই ফ্রান্সে চলছে নোংরা চক্র।

সুইডেন।

সুইডেন।

পৃথিবীর সুন্দর দেখ গুলোর মধ্যে সুইডেন অন্যতম,যেখানে বিধাতার সৃষ্টি সৌন্দর্য সত্যিই অতুলনীয়। কিন্তু সেখানে রয়েছে ড্রাগ এর মত জীবননাশ কারী জিনিস এর ছড়াছড়ি। ওই দেশের প্রায় ৯০% মানুন ড্রাগস গ্রহন করে।এমনকি স্কুল এর বাচ্চা রাও বাদ যায়না।

পশ্চিমা দেশ গুলোর মধ্যে ড্রাগ সেবন এ সুইডেন ই প্রথম।ইউরোপ এর মধ্যে এই দেশেই ড্রাগ গ্রহনের মাধ্যমে মৃতের সংখ্যা অত্যাধিক।

ব্রিটিশ।

ব্রিটিশ।

ব্রিটিশরা সভ্যজাতির অন্যতম উদাহরন,ওদের হাটাচলা,খাওয়াদাওয়া, এমনকি হাচ্চি দেয়ার ও একদম সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে,তারা সবার সামনে অতিশয় ভদ্র,কিন্তু তাদের একটি ঐতিহ্য যা তাদের কে অসভ্যজাতিতেও পরিণত করে,তা হচ্ছে অতিশয় মাত্রায় পর্ন দেখা।

তাদের দেখা পর্ন দেখা একটি দৈনন্দিন জীবনের কাজ।এবং পর্ন তাদের কাছে একটি শিল্প ও বটে।পর্নের দুনিয়াকে তাদের অনেকে ক্যারিয়ার হিসাবেও নেয়,এবং পর্নোগ্রাফি কে তারা সিনেমার সাথেও তুলনা করে।

জাপান।

জাপান।

বর্তমান বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটি।কিন্তু  এই দেশ বিদেশী দের জন্য নয়।জাপানের অধিবাসী রা বিদেশী দের এক কথায় ঘৃনা করে।

বিদেশীরা যতই ভাল হোক না কেন,সেখানকার অধিবাসী রা তাদের গোনায় ধরে।বিদেশী দের প্রতি তাদের ব্যবহার ও ভাল না।

ইতালি।

ইতালি।

ইতালি ত বিখ্যাত মুসোলনির সময়কাল থেকেই,কিন্তু আতঙ্কগ্রস্ত ও সেই সময় থেকেই।এখনো ফ্যাস্টিট রা রাস্তায় উন্মুক্ত চলাচল করে,আইন পাশ এর পর ও তাদের বিরুদ্ধে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন হয়না,সেই আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ গুলো বর্বর হয়ে গেছে।

রাশিয়া।

রাশিয়া।

রাশিয়া উন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটি,মহাকাশে মহাকাশযান পাঠিয়েছেন তারা একজন মহিলা সহ।নারীদের উচ্চ আসনে বসিয়েছেন তারা। কিন্তু সেই নারীর অত্যাচার এর জন্য কোন আইন নেই সেই দেশে।

রাশিয়া তে প্রতি ঘন্টায় গড়ে  ৪০ জন নারী অত্যাচার এর শিকার হন।বছরে প্রায় ১৪০০০।এত সংখ্যক নারী বা শিশুর সুরক্ষার জন্য কোন উপযুক্ত আইন নেই।২০১৮ সালে একটি আইন ধার্য করা হয় যে নারীদের পিটানো হলে তার স্বামীকে পাচ সেন্ট করে সরকার কে জরিমানা দিতে হবে।না দিলে তার একাউন্ট থেকে তা কেটে নেয়া হবে।এই আইনে আরো উন্মুক্ত হয়ে গেছে নারী নির্যাতন।