চেয়ার এর আত্মকাহিনী।

আমাদের জীবনের বেশির ভাগ

আমাদের জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটে কিন্তু বসেই।গাড়িতে বসে যাতায়াত করি,অফিস স্কুল কলেজে চেয়ারে বসি,বাসায় এসে সোফায় হেলান দিই,কাজ করি চেয়ারে বসে।আমরা কেউ ই হইত কখনো ভাবি নাই চেয়ার নামক এই আসবাবপত্র টা আসল কোথা থেকে!!!

চেয়ার আবিষ্কার এর পূর্বে মানুষ মাটিতে বসত,কখনো ঘাসের উপর,কিংবা কখনো কোন কাপড় বিছিয়ে,যা কিছুটা কষ্ট কর ছিল।

মূলত কে বা কারা চেয়ার আবিষ্কার করেছে তা সম্পর্কে জানা যায়নি।

মূলত কে বা কারা চেয়ার আবিষ্কার করেছে তা সম্পর্কে জানা যায়নি।

তবে ধারনা করা হয় যে সর্বপ্রথম চায়না তে চেয়ারের মত আদলের এক প্রকার আসবাবপত্র এর প্রচলন শুরু হয়।

চীনে টাঙ সম্প্রদায় (৬০৭-৯৮৭AD) আসার আগে মাটিতে কিংবা কোন মাদুর এর উপর নিয়মতান্ত্রিক নিয়ম ছিল।জাপান সম্প্রদায়,কোরিয়ান,সাউথ এশিয়া সহ বেশির ভাগ সম্প্রদায় পদ্মাসন পদ্ধতিতে মাটিতে বসত।কিন্তু তা ছিল কিছুটা কষ্টকর।ষষ্ঠ শতাব্দী তে প্রথম লোহার তৈরি চেয়ার বানানো হয়।

প্রায় দ্বাদশ শতাব্দী এর দিকে চায়নায় চেয়ারের প্রচলন বৃদ্ধি পায়।

প্রায় দ্বাদশ শতাব্দী এর দিকে চায়নায় চেয়ারের প্রচলন বৃদ্ধি পায়।

প্রথমদিকে তা শুধু রাজাদের জন্যই সীমাবদ্ধ ছিল।

আর জামা কাপড়ে ময়লা লাগার সম্ভবনাও বেশি।এর থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্যই চেয়ারের আবিষ্কার।

পরে ধীরে ধীরে সারাবিশ্বেই চেয়ারের প্রচলন শুরু হয়।ভারতে বিভিন্ন নকশাদার চেয়ার বানানো হত রাজা বাদশাহদের জন্য।চেয়ারে বাঘ সিংহ এর মাথার প্রতিকৃতি বানানো হত।

ইংরেজরা চেয়ারের মধ্যে বিভিন্ন বৈচিত্র্যে নিয়ে আসে।

ইংরেজরা চেয়ারের মধ্যে বিভিন্ন বৈচিত্র্যে নিয়ে আসে।

চারকোনা,গোলাকার,ডেন্টাল,কার্ভ বিভিন্ন চেয়ার বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।

আমাদের দেশে কাঠ,বাশ,বেত, প্লাস্টিক দ্বারা সাধারণত চেয়ার বানানো হয়।

চেয়ারের অবদান নিয়ে নতুন করে বলার হইত কিছুই নেই।এত দরকারি একটা আসবাবপত্র এর আবিষ্কারের কিছু তথ্য জানিয়ে হয়তো পাঠকদের কিছুটা ভাল লাগবে। 

লিখেছেন ঃ নওশীন জাহান।