চলে গেলেন স্টিফেন হকিং ।

তিনিই প্রথম আশংকা প্রকাশ করেছেন নিজেদের বানানো অত্যাধুনিক ডিভাইসগুলোর মাধ্যমেই এক সময় মানব সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, সামনের ১শ' বছরের মধ্যেই ঘটতে পারে এমন ঘটনা

চলে গেলেন পৃথিবীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং । রেখে গেলেন বিশ্বের লক্ষ-কোটি মানুষের ভালবাসা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। হকিংয়ের প্রয়াণের খবরটি তার পরিবার থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে ।

তিনি ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী

তিনি ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম সেরা পদার্থবিদ ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী

পদার্থবিজ্ঞানে হকিংয়ের দুইটি অবদানের কথা সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত। প্রথম জীবনে সতীর্থ রজার পেনরাজের সঙ্গে মিলে সাধারণ আপেক্ষিকতায় সিংগুলারিটি সংক্রান্ত তত্ত্ব। হকিং প্রথম অনিশ্চয়তার তত্ত্ব ব্ল্যাক হোল-এর ঘটনা দিগন্তে প্রয়োগ করে দেখান যে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরিত হচ্ছে কণা প্রবাহ। এই বিকরণ এখন হকিং বিকিরণ নামে (অথবা কখনো কখনো বেকেনস্টাইন-হকিং বিকিরণ) অভিহিত।  

লিখিত পুস্তক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকে হকিং একাডেমিক জগতে যথেষ্ট খ্যাতিমান হয়ে উঠেন। তিনি রয়েল সোসাইটি অব আর্টসের সম্মানীয় ফেলো এবং পন্টিফিকাল একাডেমি অব সায়েন্সের আজীবন সদস্য। ২০১৪ সালে তাকে নিয়ে একটি মুভি তৈরি হয়,,নাম থিওরি অব এভরিথিং।

শারীরিক ভাবে ভীষণরকম অচল হওয়া সত্ত্বেও তিনি তিনি তাঁর গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছিলেন

শারীরিক ভাবে ভীষণরকম অচল হওয়া সত্ত্বেও তিনি তিনি তাঁর গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছিলেন

বিভিন্ন অবদানের জন্য পাওয়া তার উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে প্রিন্স অব অস্ট্রিয়ানস পুরস্কার, কোপলি পদক, এডিংটন পদক, হিউ পদক, আলবার্ট আইনস্টাইন পদক, উলফ পুরস্কার, জুলিয়াস এডগার লিলিয়েনফেল্ড পুরস্কার। এছাড়াও তিনি কেমব্রিজের গনভিলি এবং কেয়াস কলেজের ফেলো হিসাবে কর্মরত ছিলেণ। 

শারীরিক ভাবে ভীষণরকম অচল এবং এ.এল.এসের (এমায়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস বা লাউ গেহরিগ রোগ- যা এক প্রকার মোটর নিউরন রোগ) জন্য ক্রমাগতভাবে সম্পূর্ণ অথর্বতার দিকে ধাবিত হওয়া সত্ত্বেও বহু বছর যাবৎ তিনি তাঁর গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছিলেন

stephen hawking death stephen hawking death date