স্পোর্টস।
গোলের মহাউৎসব ম্যানসিটির।

নিজে মাঠে রিতিমত কাঁদিয়ে ছাড়লেন শালকেকে ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তাদের ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল।

ক্লাব ফুটবলে ইউরোপ সেরার মঞ্চে নিজেদের ইতিহাসে ম্যানসিটির সবচেয়ে বড় জয়। এই জয়ের পর দুই লেগ মিলিয়ে ১০-২ গোলে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখেয়েছে তারা।

৩৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যানসিটিকে আটকে রেখেছিল শালকে। কে জানতো, এই ম্যাচেরই শেষ স্কোরলাইনটা হবে ৭-০! ম্যানসিটির পক্ষে জোড়া গোল করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো। একটি করে করেন রাহিম স্টার্লিং, লেরয় সানে, বের্নার্দো সিলভা, গাব্রিয়েল জেসুস ও ফিল ফোডেন।

ম্যানসিটি প্রথম গোলটি পায় পেনাল্টি থেকে। বেনার্দো সিলভাকে ডি-বক্সে ফেলে দিয়েছিলেন জেফরি ব্রুমা। ভিএআরের মাধ্যমে পেনাল্টি নিশ্চিত করেন রেফারি। গোল করেন আগুয়েরো।

এর তিন মিনিট যেতেই আরেক গোল আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের। এবার আর প্রতিপক্ষের সাহায্য লাগেনি। স্টার্লিংয়ের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে সেটা গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন আগুয়েরো।

৪২ মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন সানে। আলেকসান্দর জিনচেনকোর পাস থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন তিনি। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ম্যানসিটি।

বিরতির পর যেন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠে গার্দিওলার দল। ৫৬ মিনিটে সানের কাছ থেকে বল পেয়ে গোল করেন স্টার্লিং। সানেরই পাস থেকে ৭১ মিনিটে আরও এক গোল পায় ম্যানসিটি, এবার উৎসবে যোগ দেন সিলভা। সাত মিনিট পর জার্মান মিডফিল্ডারের দুর্দান্ত থ্রু পাসে জাল খুঁজে নেন বদলি নামা ফোডেন।

৬৪ মিনিটে আগুয়েরোকে উঠিয়ে গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে নামান কোচ গার্দিওলা। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারই ম্যানসিটির সপ্তম গোলটি করেন। ৮৪ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে তার বুলেট গতির শট বুঝতেই পারেননি শালকের গোলরক্ষক।

YOUR REACTION?

Facebook Conversations


Disqus Conversations