দেশের খবর।
গুরুত্বপূর্ণ পদে যাদের নিয়ে চলছে গুঞ্জন।

জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর চিঠি পেরন করছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। এরপর থেকেই জল্পনা-কল্পনা চলছে, সংসদের বাকি জায়গাগুলোতে কারা বসতে যাচ্ছেন। 

এ নিয়ে সরকার সংশ্লিষ্ট ও আওয়ামী লীগ হাইকমান্ডে চলছে নানা রকম আলোচনা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেছেন। চতুর্থবারের মতো সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর গত ৭ জানুয়ারি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতির ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন নেতা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মোটামুটি নিশ্চিত এটা বলা যায়। ডেপুটি স্পিকার হিসেবে অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার বিষয়টি অনেকটা অনিশ্চয়তায় রয়েছে। ডেপুটি স্পিকার হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল মতিন খসরু।

ওই নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, শারীরিক অসুস্থতা ও বার্ধক্যজনিত কারণে সংসদ উপনেতার দায়িত্ব নাও পেতে পারেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। সেক্ষেত্রে সংসদ উপনেতা হিসেবে দেখা যেতে পারে সদ্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য মতিয়া চৌধুরী।

জানা গেছে, পরিবর্তন হতে পারে সরকারদলীয় চিফ হুইপের পদও। দশম সংসদে চিফ হুইপ ছিলেন আ স ম ফিরোজ। একাদশ জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় চিফ হুইপ হতে পারেন মাদারীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন। তবে হুইপ হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেতে পারেন শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতিউর রহমান আতিক ও নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার।

YOUR REACTION?

Facebook Conversations