খেজুরের রস বা প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক

খেজুরের রস বা প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক কিছু অজানা কথা যা আপনার জানা খুবিই দরকারি

আমাদের গ্রাম বাংলার এত সুদর দৃশ পৃথিবীর আর কথাও নেই

আমাদের গ্রাম বাংলার এত সুদর দৃশ পৃথিবীর আর কথাও নেই

এই শিতে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে কাঁচা খেজুরের রস আহহ, এক কথায় অমৃত।
অনেকে আবার এ রসকে প্রক্রিয়াজাত করে পিঠা-পুলি, পায়েস, গুড় তৈরি করেখেয়ে থাকো। সারা বছর খেজুরের রস সংগ্রহ করা যায়। তবে শীতকালের খেজুরের রসই বেশিসুস্বাদু। শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে রসের পরিমাণও কমতে থাকে।
খেজুরের রসে আপনি পাবেন প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।বাংলাদেশে যে খেজুর হয় তাতে যথেষ্ট শাঁস থাকে না বলে অনেকেই এটা খেতে খুব একটাপছন্দ করে না। তাই খেজুরের রসই আসল আকর্ষণ। খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় অনিদ্রা ওকোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

খেজুরের গুড়েআয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। শারীরিক দুর্বলতাকাটিয়ে কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে আনতে খেজুরের রস দারুণ উপকারী।
খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশওবেশি। এটাকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতেপারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বালদিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়।
যারা শারীরিক দুর্বলতায় থাকে, কাজকর্মে জোরপায় না, খেজুরের রসতাদের জন্য দারুণ উপকারী। খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০%দ্রবীভূত শর্করা থাকে। খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ওসুস্বাদু। খেজুরের গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল সবই রয়েছে।
একজন সুস্থ মানুষের ১/২ গ্লাসের বেশি রস খাওয়া ঠিক নয়। সকালেখালি পেটেও খেজুরের রস খেতে পারো, কোনো সমস্যা হবে না।
দিনের বেলা নয়, খেজুরের রস বা রসের তৈরি বিভিন্ন খাবার সকালকিংবা রাতে খাওয়া ভালো। সকাল সকাল খেলে উপকার পাওয়া যায়। রস যেহেতু খোলা অবস্থায়সংগ্রহ করা হয় বলে এতে জীবাণু থাকতে পারে তাই হালকা আঁচে দিয়ে বা ফুটিয়ে খাওয়াউচিত।