কুরঅান সম্পর্কিত ছয়টি আশ্চর্যজনক তথ্য। যা আপনাকে বিমহিত করবে।

দিন ও ইসলাম।

কুরঅান, ইসলামের পুস্তক যে আল্লাহর বানী তা সম্পর্কে স্পষ্ট প্রমান রয়েছে এবং তা মানার অনেক কারন রয়েছেঃ

.কুরঅান এর বহু বৈজ্ঞানিক এবং ঐতিহাসিক তথ্য রয়েছে যা আগের যুগের মানুষের কাছে অজানা ছিল,এবং সময়ের সাথে সাথে সেসব তথ্যাবলি মানুষের সামনে উদিত হয়েছে।

.কুরঅান এর ভাষার এক অন্য রকম ভাষা,যা প্রতিলিপি করা দুষ্কর।

.এখানে মহানবী সাঃ এর আসার ভবিষ্যৎ বানী করা আছে।

কুরঅান সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

জীবের উত্থান

জীবের উত্থান

পানি সকল জীবের বাঁচার উৎস।পানি সম্পর্কে কুরঅান এর বানী-"নিশ্চয়ই আমি পানি দ্বারা জীবের সৃষ্টি করিয়াছি।কি বিশ্বাস যোগ্য নয়"(কুরঅান ২১:৩০)

এই আয়াতে উল্লেখ্য যে পানি জীবের উৎস।সমস্ত জীব কোষের সমন্বিত এ গঠিত.বর্তমানে আমরা জানি যে, কোষ পানির সমন্বয় তৈরী।উদাহরণ স্বরুপ, সাইটোপ্লাজম (জীবকোষের ভিত্তি) এ ৮০% পানি।এটি আমাদের জীববিজ্ঞান পুস্তক সমুহে রয়েছে।

এই তথ্য এটাই প্রমান করে যে সমস্ত জীবকুল পানির তৈরী।আরবের মত মরুভূমি এর দেশে তৎকালীন সময়ে কেউ কল্পনাই করতে পারত না যে মানুষ পানির সমন্বয় এ গঠিত হতে পারে।

লোহা

লোহা

লোহা পৃথিবীর কাছে স্বাভাবিক বস্তু নয়।ধারনা করা হয়ে থাকে লোহা মহাজগত এর অন্য কোন অংশ হতে এই ভূখণ্ডে এসেছে।যদিও এটি অবাস্তব শোনাবে কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এটিই বিশ্বাস করেন।বিজ্ঞানীরা এটি উদঘাটন করেছেন যে, প্রায় বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে উল্কা আক্রমণ হয়, আর সেই সব উল্কাই লোহা বহন করছিল,যা দূরতম কোন তারার বিস্ফোরণ এ সৃষ্ট।

কুরঅান এ আছে যে,"নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে লোহা প্রেরন করেছি যা প্রচুত আন্তঃ শক্তি বহন করে এবং ইহা দ্বারা মানবজাতির উপকার হবে।

আকাশের সুরক্ষা

আকাশের সুরক্ষা

আকাশ পৃথিবী সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান বহন করে।আকাশ পৃথিবী কে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে বাঁচায়।যদি আকাশের অস্তিত্ব না হত,জীবকুল সুর্যের অতিরিক্র তেজ এর কারনে মারা যেত।পৃথিবীকে অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে বাঁচাতেও এটি চাদরের মতো কাজ করে।আকাশের উপরের তাপমাত্রা প্রায় -২৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পৃথিবীর জীব জগত কে জমিয়ে দিতে পারত।দিন আর রাতের মধ্যকার তাপমাত্রা ও আকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।কুরঅান এ রয়েছে:"আকাশ কে আমি নিরাপত্তা ছাদ হিসাবে তৈরী করেছি।তাও তারা আমাদের প্রতি নত হয়া থেকে মুখাপেক্ষী হয়!"

পাহাড়

পাহাড়

পাহাড়কে পবিত্র কুরঅান এ খুটির সাথে তুলনা করা হয়েছে।

'Earth' নামক একটি বই তে ভূতত্ত্ববিদ ফ্রাঙ্ক প্রেস বর্ননা করেন যে পাহাড় খুটির ন্যায় দণ্ডায়মান,যার মূলের অস্তিত্ব এখন ও পাওয়া যায়নি।

৫.পৃথিবীর জন্ম: জ্যৌতিবিদ্যার প্রাক্কালে ও পৃথিবীর জন্ম সবার কাছে কৌতুহল ছিল,কিন্তু পবিত্র কুরঅান এ আগেই উল্লেখ ছিল যে" এবং আমরা এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছি এবং এটি কমশ্র বৃদ্ধি পাচ্ছে"।

শেষ শতকে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার বিখ্যাত বই "The brief story of time" এ পৃথিবীর আবিষ্কার এর কাহিনী উল্লেখ করেন,যা কুরঅান আগেই আমাদের ধারনা দিয়েছিল,টেলিস্কোপ আবিষ্কারের বহু আগে।

৬.সূর্যের কক্ষপথঃ ১৫১২ সালে জ্যৌতিবির্দ নিকোলাস কোপারনিকাস আবিষ্কার করেন যে,সমগ্র সৌরজজগতের কেন্দ্র হচ্ছে সূর্য,এবং বাকি সব গ্রহ,উপগ্রহ সব কিছুই সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথ এ ঘুরে,যা কুরঅান আগেই আমাদের বলে দিয়েছে।

কুরঅান এ আছে,"সেই একমাত্র যে এই দিন রাত সৃষ্টি করেছেন,এবং সূর্য ও চাঁদ তাদের নির্দিষ্ট কক্ষপথ এ ঘুর্নয়মান"।