কারাগারের অভিজ্ঞতা কথা জানালেন

হুট করে একটা প্লান করে ফেলি অন্য কয়েদিদের নিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি. . .

কারাগারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা দিতে গিয়ে অনেকটা আবেগ প্রবণ হতে দেখা গিয়েছিল আসিফ আকবরকে,  তিনি বলেন কারাগারে যাওয়া এটাই আমার জবনে প্রথম।একদম যে খারপ অভিজ্ঞতা তা বলবো না, আমি যে সেল এ ছিলাম ওখানে আরও ১৭ জন বন্দি ছিলেন। আমি মুলুত জেল হাসপাতালে ছিলাম। জেল হাসপাতাল ১১-তে আরও ১৭ জন বন্ধি ছিলেন। কারাগারে যেয়ে দেখি সবাই নামাজ পড়ছেন। চারদিকতা একটু তাকিয়ে দেখি, তারপর সবার সাথে মিশে যাই। সারা দিন অভুক্ত ছিলাম, তারপর খাইলাম। আস্তে আস্তে আমার সেল থাকা বাকি কয়েদীদের সাথে গল্প গুজব শুরু করে দেই, সাথে লুডু খেলা, দাবা খেলা আরো কত কি। 

একে একে সবার পারিবারিক জীবনের গল্প শুনলাম। সব কয়েদির নামও আমার মুখস্থ এখন।’ কারাগারে আমি ৩য় দিন হুট করে একটা প্লান করে ফেলি অন্য কয়েদিদের নিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়ার। কিন্তু কারাগারে তো কাচ্চি বিরিয়ানি পাওয়া যায় না, অনেক কষ্ট করে বানানো হয়। সবাই খুব সহযোগিতাও করেছেন।’

কারাবাস জীবনে প্রথম সরকারি খাবার খেলাম। তবে আমি নিরধায় বলতে পারি কারা কর্তৃপক্ষ থেকে সবাই নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতার ও ভালোবাসা দিয়েছে যা আমি কখনো ভুলতে পারবো না। সব থেকে কষ্টের মুহূর্ত হচ্ছে আমার যখন জামিন হয়ে যায় আমার চলে আসার সময় তো সবাই কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলেন যা দেখে আমিও অনেকটা আবেগপ্রবণ হয়ে যাই। আমি আমার ফোন নম্বর দিয়ে এসেছি সবাইকে।’

আসিফ আকবর ফাইল ছবি

আসিফ আকবর ফাইল ছবি

asif akbor