আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে ১০টি বিস্ময়কর ঘটনা।

বাংলা খবর।

মহাজগত সম্পর্কে,যাকে "চূড়ান্ত সীমানা নামে আখ্যায়িত করা হয়।তাহলে সৌরজগত সম্পর্কিত দশটি শীর্ষ তথ্য গুলো দেখে নেওয়া যাক।

এক

এক

পৃথিবীর সমুদ্রতীর এ যতসংখ্যক বালুকনা রয়েছে,তার চেয়ে বেশী সংখ্যক তারা রয়েছে এই মহাকাশে,কম করে হলেও প্রায় বিলিয়ন ট্রিলিয়ন।

দুই

দুই

বিরাট বড় এক তারা বিস্ফোরণ এ ব্ল্যাক হোলের সৃষ্টি হয়।এর অভিকর্ষজ ত্বরন এতটাই বেশি যে, এর থেকে কোন কিছুই বাঁচতে পারেনা।সৌভাগ্যবশত পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাক হোল টি পৃথিবী থেকে ১০,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।

তিন

তিন

মহাকাশ ভ্রমনকালে মহাকাশচারীদের এক ধরনের পোষাক পরিধান করতে হয়। যাকে বলা হয় স্পেশস্যুট।এই পোষাকটিকে অবশ্যই নাতিশীতোষ্ণ তাপমাত্রা,সঠিক চাপ এবং বিশুদ্ধ হাওয়া পূর্ন হতে হয়।মজার ব্যাপার হচ্ছে এই পোষাক পড়তে প্রায় ৬ ঘন্টা সময় লাগে!

চার

চার

মহাজগতের কোন কেন্দ্র নেয় বরং এটি প্রতিনিয়ত ই বৃদ্ধি পাচ্ছে ,প্রতিসেকেন্ড বড় হচ্ছে,এবং মহাজগত এর শেষ সীমানায় পৌছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে।

পাঁচ

পাঁচ

পৃথিবীর বয়স মাত্র ৪.৫ কোটি বছর,এটি মহাজগত এক- তৃতীয়াংশ মাত্র,যেখানে মহাজগত এর বয়স প্রায় ১৩.৫ কোটি বছর।

ছয়

ছয়

পৃথিবী মহাজগতের অন্যান্য অংশ অপেক্ষা এতটাই ক্ষুদ্রকায় যে, এটি অতিসহজে সূর্যের ভিতর ১.৩ মিলিয়ন বার স্থান গ্রহন করতে পারবে।আপনারা কি অনুভব করতে পারছেন পৃথিবী কতটা ক্ষুদ্রকায়!সূর্য সম্পর্কিত আকর্ষণীয় তথ্য জানতে নিচের ক্লিপ টি দেখুন

সাত

সাত

খ্রিষ্ট পূর্ব ৮৪০ সালে,বাভারিয়ার সম্রাট লুইস আতঙ্কে মারা যান,যখন তিনি  সূর্য গ্রহণ দেখছিলেন।সুর্য গ্রহণ হচ্ছে,যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে চলে আসে তার এর কারনে একটি ছায়া পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে পতিত হয়।

আট

আট

পৃথিবীতে জোয়ারভাটা সংগঠিত হবার মূল কারন হচ্ছে চাঁদ।সূর্যের সাথে মিলে এটি পৃথিবীতে বিলিয়ন  টন পানির জোয়ারভাটা তৈরী করে।

নয়

নয়

মঙ্গল গ্রহে একটি দিন তার একটি সাল অপেক্ষা বড়।কি বুঝেন নি! বুঝিয়ে বলছি।মঙ্গল গ্রহ সূর্যের চারদিকে ঘুরে একটি সাল সংগঠিত করে পৃথিবীর সমান ৮৮ দিনে,অন্যদিকে তার একটি সূর্যোদয় আর আরেক সূর্যোদয়ের মধ্যে পার্থক্য পৃথিবীর ১৭৬ দিনের সমান।

দশ

দশ

প্রায় ৭৬ সাল পরে,প্লুটো কে "বামুন গ্রহ" নামে পুন আখ্যায়িত করা হয়,যদিও এটিকে ১৯৩০ সালে মহাজগত এর সবচে দূরতম গ্রহ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।