আপনার পক্ষে সম্ভব নয় যে জিনিষগুলো করা

প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয়ই বিভিন্ন খবরের কাগজে বা টিভি. .

ভয়কে যারা করছে জয়।

প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয়ই বিভিন্ন খবরের কাগজে বা টিভিতে দেখে থাকি  কিছু সাহসী মানুষ তাদের অসীম শক্তি এবং সাহসের জন্য বিভিন্ন ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন।  হোক সেটা মহাকাশ থেকে লাফানো কিম্বা পাহাড়ের চূড়া থেকে ঝাঁপা দেওয়া। এই মানুষগুলি ভয় কে করেচে জয়। আজকে আমরা এরকমই কিছু সাহসী মানুষের কথা বলবো যাদের সাহসের কথা শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। চলুন দেখে নেয়া যাক সেই সমস্ত মানুষের অদ্ভুত কীর্তিকলাপ।

এক

এক

বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় খেলা হয়ে উঠেছে স্কাইডাইভিং। অনেক সাহসী মানুষই আছে যারা এটি করতে পছন্দ করে কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা মৃত্যু ভয় নেই। আর রকমই একজন মানুষ হলো ফিলিক্স’ যিনি মহাকাশে গিয়ে সেখান থেকে পৃথিবীর বুকে ঝাঁপ দেওয়ার সাহস দেখিয়েছে। ১ লক্ষ ২৭ হাজার ফুট উঁচুতে গিয়ে স্টান্ট করার জন্য যে ধরনের সাহসের দরকার সেই সাহস হয়তো আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষেরই আছে। 

নীচে নামার সময় তার গতিবেগ ছিল ১৩৫৬ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। মহাকাশে যাওয়ার জন্য তাকে একটি ছোট বাংকারে বসানো হয়েছিল, যেটি একটি বিশালাকার হিলিয়ামের বেলুন বেঁধে দেওয়া হয়েছিল । মহাকাশ থেকে মাটিতে নামতে তার সময় লেগে ছিল ৪ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড যা আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে এটি একটি বিরল ইতিহাস ও সবচেয়ে লম্বা ফ্রিফল ।

দুই

দুই

মৌমাছি দেখলে আমরা সবাই ভয়ে পালাই, কিন্তু অভূত এক মানুষ আছে যিনি ৬ লক্ষ উপর মৌমাছি দিয়ে নিজের শরীরকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলেছিল চাইনিজ এক বেক্তি।

সব থেকে বড় কথা ভয়ঙ্কর এই কাজটি করতে যেয়ে কোন প্রকার আত্মরক্ষার আশ্রয় নেয় নি তিনি। কেননা একটি সামান্য ছোট্ট ভুল হয়ে গেলে ঘটে যেতে তার নিশ্চিত মৃত্যু। কিন্তু তিনি এইসব মাথায় না নিয়ে এই সাহসিকতার কাজটি করে ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ তার নিজের নাম লিখিয়ে নেন।

তিন

তিন

ধরুন আপনার হাত পা এক সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেয়া হয়েছে, তারপর সেই দড়িটিকে হাই স্পীড বাইকের সাহায্যে দিয়ে টানা হয় তাহলে কি রকম অবস্থা হতে পারে আপনার। কি ভয়ে চোখ বন্ধ করে দিয়েছেন? ভেবেই আপনার শরীর কেঁপে উঠতে পারে। কিন্তু ফ্রান্স এক ভদ্রলোক এই রকম করে দেখিয়েছেন। যিনি  নিজেকে এই ভাবে বেঁধে ৪ টি হাই স্পীড বাইকের সাহায্যে টানিয়েছিলেন। যা পুরো ৩০ সেকেন্ড ধরে তিনি এই স্টান্টটি করেছিলেন যা দেখে রিতিমত যেখানে বসে থাকা দর্শকেরাও চোখ বন্ধ করে নিতে বাধ্য হয়েছিল।

চার

চার

এখন যাদের কথা বলবো তারা এক কথায় জাদুকে ও হার মানিয়েছে। বলতে গেলে এ এক ভয়ংকর রেকর্ড যা কারামজতি সিং ও কাওল সিং এই দুইজন মিলে করেছে। এই স্টান্টটিতে কারামজতি সিং তার চোখ বেঁধে কাওল সিং এর আশেপাশে রাখা সমস্ত নারকেল কে একটি ধারালো কুড়ুলের সাহায্যে ভাঙেন যা সত্যি খুব অবিশ্বাস্য ব্যাপার। 

সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ব্যাপারটি হলো  কারামজতি সিং ১ মিনিটের মধ্যেই ৩৫ টি নারকেল ভেঙ্গে ফেলেছিল যা রিতিমত একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। কারণ সে সময়ের তার চোখ বাঁধা ছিল। এই কাজটি করার সারা দুনিয়ার তারা পরিচিত লাভ করে। স্টান্টটিতে একটু ভুল হয়ে গেলে হয়ে যেত নিশ্চিত মরন।

পাঁচ

পাঁচ

আমরা হর হামেশাই দেখি থাকি জীবিকার তাগিতে ফেরিওয়ালারা মাথায় ঝুরি নিয়ে হেটে হেটে এটা ওটা বিক্রি করে। কিন্তু এমন মানুষ আছে যে কিনা একটি গাড়ি মাথায় তুলে হেঁটেছেন। ইভেন্স নামের এক ব্যাক্তি যিনি এই অদ্ভূত কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন। কয়েক বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর, আনুমানিক ১৬০ কেজি ওজনের একটি গাড়িটিকে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জন্য কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই নিজের মাথায় উপর তুলে হেঁটে ছিলেন। আজ পর্যন্ত তার এই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারেনি আর আশা করা যায় ভবিষ্যৎতে কেউ এই রেকর্ডটি খুব সহজে ভাঙতে পারবে না।

প্রিয় পাঠক এই রকমই অজানা ও রোমাঞ্চকর মজার মজার সব ঘটনা জানতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।

পাঠকবৃন্দ এখানে ফ্রী রেজিস্ট্রেশন করে  আপনি ও লিখতে পারেন , চাইলে নিউজ ও করতে পারেন। তাই আজি রেজিস্ট্রেশন করুন। লিখতে পারেন বাংলা অথবা ইংলিশ এ ।  শেয়ার করে জানান আপনার নিজের পছন্দ অপছন্দ এবং পৃথিবী দেখবে আপনার লেখা। 

বাংলা লেখার জন্য ফন্ট ব্যাবহার করতে পারেন - বাংলা অভ্র, বিজয়। 

আমাদের আরো খবর পেতে হলে লাইক করুন আমাদের পেজঃ  www.facebook.com/bangladeshonlinenewspapers/

আমাদের নিউজ ওয়েবসাইট ঃ www.bangladeshonlinenews.com

আপনাদের ভাল লাগাই আমাদের সার্থকতা ধন্যবাদ ।

brave people in history