আজও যে সব রহস্যের সমাধান করতে পারেনি বিজ্ঞানীরা

এই রহস্য ঘেরা পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে চলছে প্রতিনিয়ত সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরাও পর্যন্ত..

এই রহস্য ঘেরা পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে চলছে যা প্রতিনিয়ত সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরাও পর্যন্ত অবাক হয়ে যান। এমন কি যার রহস্য বার করতে যেয়ে বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে পড়েন। পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু রহস্যাবৃত বা আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ব্যর্থ হয়েছেন। এই ঘটনা গুলো ঘটেছে তারপরই ঘটনা গুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গবেষণা হয়েছে কিন্তু ঘটনাটি কেন ঘটলো বা কি কারণে ঘটলো তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাগুলো সবার কাছে শুধুই রহস্য হয়েই রয়ে গেছে। তবে আসুন পাঠক  আমরা সেই সব আশ্চর্য ঘটনা গুলোর মধ্য থেকে কিছু ঘটনা জানার চেষ্টা করি।

কোথায় গেলো ১০ মিনিট

কোথায় গেলো ১০ মিনিট

একদিন আমেরিকার মিয়ামী বিমানবন্দর থেকে একটি বিমান বৈমানিকও যাত্রী নিয়ে আকাশে পথে উড়াল দেন।নিচে কন্ট্রোল রুম থেকে রাডারের সাহায্যে বিমানটিকে পর্যবেক্ষন করছিলেন অপারেটরগন।কিন্তু হঠাৎঘটে এক অদ্ভুত ব্যাপার তা হলো রাডার স্ক্রিন থেকে বিমান নিদের্শক বিন্দুটি অদৃশ্য হয়ে গেল। কন্ট্রোল রুমের অপারটেরগন হতভম্ব হয়ে গেলেন এবংভয়ে শিঁউরে উঠলেন, তাড়া ভাবতে লাগলেন এই বুঝি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল! চারিদিকে আতংকে হুলুস্তুল পড়ে গেল। ঠিক ১০ মিনিট পর বিমানটি আবার রাডার স্ক্রিনে ফুটে উঠলো। পরে নিউজার্সি বিমানবন্দরে সম্পূর্ন নিরাপদে অবতরন করলো বিমানটি। অপারেটরগন তাৎক্ষনিক ছুটে এসে বৈমানিককে পশ্ন করলো, তুমি ১০ মিনিট কোথায় ছিলে? বৈমানিক বেশ অবাক হলো। সে বললো আমি মতো স্বাভাবিক ভাবেই এখানেই পৌছেছি এবং সে ঘড়িও দেখলো যে সে ঠিক সময়েই অবতরন করেছে।এরপর যা ঘটলো তা সত্যিই বিস্ময়ের আর সীমা থাকে না।অপারেটরগন বললো তুমি দশ মিনিট দেরিতে পৌছেছো। বৈমানিক অবাক হলো, সে বিমানবন্দরের সকলের সাথে তার ঘড়িটি মিলিয়ে দেখলো যে সত্যিই তার ঘড়িটি ১০ মিনিট স্লো। এরপর ঐ বিমানের সকল যাত্রীদের ঘড়ি পরীক্ষা করে দেখা গেল সকলের ঘড়িই ১০ মিনিট স্লো। এখন পশ্ন হচ্ছে এই বিমানটি ১০ মিনিট কোথায় ছিল? এইবিমানে আরোহীদের জীবন থেকেও বা ১০ মিনিট কোথায় হারিয়ে গেল?পাঠক আপনরা ও ভাবতে থাকুন। কোথায় গেলো ১০ মিনিট 

৫০ বছর পিছনে ফিরে যাওয়া

৫০ বছর পিছনে ফিরে যাওয়া

এই ঘটনা ১৯৬১সালের কথা, এটি ও একটি বৈমানিক বিষয় নিয়ে কিছু কথা, ওহিয়ো স্টেটের সেদিন ছিল ঝকঝকে নীল আকাশে উড়ে চলেছে একটি বিমান। হঠাৎ নিচের দিকে তাকিয়ে পাইলট অবাক দেখলেন ঠিক তার বিমানের নিচে উড়ছে আরেকটি বিমান। কিন্তুএমন অদ্ভূত বিমান তিনি জীবনে আগে কখনও দেখেননি। এমন বিমান যে পৃথিবীতে আছে কিনা তাও তিনি জানতেন না। বিমানটি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কালীন সময়ের মতো কাঠ ও ত্রিপলের তৈরি। যেটি ধারনা করা যায় প্রায় ৫০ বছর আগেকার। ৫০ বছর আগের বিমানের বৈমানিক ৫০ বছর পরের বিমানকে আবার ৫০ বছর পরের বৈমানিক ৫০ বছর আগের বিমানকে দেখছিলেন। এই ঘটনা দেখে বৈমানিক বিস্মিত হয়ে বিমান বন্দরে ফিরে এলেন। তিনি সকলকে তার ঘটনাটি জানালেন,কিন্তু সবাই তাক হাসি ঠাট্টা করছিলেন, তার কথা কেউ বিশ্বাস করলো না। এমনকি সিভিল এভিয়েশন বোর্ডও বিষয়টিকে ধাপ্পা বলে উড়িয়ে দিল। বিস্মিত মনে বৈমানিক একাকিই হণ্যে হয়ে খুঁজতে লাগলেন বিমানটিকে। কারন তিনি জানেন, তিনি যা দেখেছেন তা সত্যি দেখেছেন এটি কোন ভাবেই মিথ্যা হতে পারে না। অনেক খুঁজাখুঁজির পর পাওয়া গিয়েছিল পুরোনো সেই বিমানটিকে এক গ্রামের বড় বৃক্ষের নিচে। বিমানটির সেটের উপর পড়ে থাকা লগ বুকে লেখা ছিল - Strange! A glittering silver colored plane was flyingin the sky. But who built that in this time? It seems to be a plane from 50 years later. It came to me for a crush. But, I was safe by its technics.” লগবুকের এই লেখাটি লিখেছিলো ১৯১১ সালে জনৈক বৈমানিক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোথা থেকে এলো এই বিমানটি? বা ৫০ বছরের আগের বিমানকে কিভাবে বর্তমান বৈমানিক আকাশে উড়তে দেখলেন? যার উত্তর বিজ্ঞানীরা আজও খুজে বেড়াচ্ছেন।

আব্রাহামলিংকন

আব্রাহামলিংকন

এখন যে কথাগুলো বলবো তা পরে হয়তো অনেক পাঠক ই একটা ধাক্কা খাবেন, আমারা সবাই কম বেশি জানি আমেরিকা রপ্রয়াত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন আততায়ী হাতে নিহত হন। কিন্তু আপনি কি জানেন তিনি স্বপ্নে ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি দেখেছিলেন আমেরিকার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। ১৮৬৫ সালের এপ্রিল মাসের ঘটনা। তিনি রাতে একটি বিচিত্র স্বপ্ন দেখেছিলেন। 

যে স্বপ্নটি তিনি বলেছিলেন এক জনৈক ব্যক্তির কাছে। ব্যক্তিটি তার স্বপ্নটি লিখে রেখেছিলেন এবং তা পরে বর্ননা করেছিলেন।আব্রাহাম স্বপ্নে দেখেছিলেন চারদিকে নিস্তব্ধ পরিবেশের মধ্য থেকে কান্নার সুরশোনা যাচ্ছে। সে কান্নার কারণ খুঁজতে তিনি বিছানা থেকে উঠে গেলেন কিন্তু দেখলেন কোথাও কেউ নেই শুধু কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। তিনি হোয়াইট হাউজের মধ্যে হেটে হেটে কান্নার শব্দের উৎস খুঁজতে লাগলেন। 

অবশেষে হোয়াইট হাউজের পূর্ব ব্লকের ঘরে আবিস্কার করলেন একটি মৃতদেহ। মৃতদেহের চারপাশ ঘিরে শোক পালনকারীরা কান্নাকাটি করছে কিন্তু তাদের সকলের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা। সৈন্যরা দাড়িয়ে আছে বিষন্ন চেহারায়। তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং একজনকে প্রশ্ন করলেন কে মারা গিয়েছে? সে উত্তর দিল- আমাদের প্রেসিডেন্ট, তিনি হত্যাকারীদের হাতে নিহত হয়েছেন।

এই স্বপ্ন দেখার ঠিকপাঁচ দিন পর সত্যি সত্যিই হত্যাকারীর হাতে নিহত হয়েছিলেন আব্রাহাম লিংকন। এবং তার স্বপ্ন দেখা হোয়াইট হাউজের পূর্ব ব্লকেই কিছু সময়ের জন্য রাখা হয়েছিল তার লাশ।


প্রিয় পাঠক আমাদের লেখাভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন 

আমাদের আরো খবর পেতে হলে লাইক করুন আমাদের পেজঃ  www.facebook.com/bangladeshonlinenewspapers/

আমাদের নিউজ ওয়েবসাইট ঃ www.bangladeshonlinenews.com

আপনাদের ভাল লাগাই আমাদের সার্থকতা ধন্যবাদ ।

unsolved mysteries of the world