নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে নিহত যারা।
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইটসার্চের দুই মসজিদে বর্বর সন্ত্রাসী হামলায় যারা নিহত হয়েছেন, সেসব নিরাপরাধ ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করা হলো।

হোসনে আরা

হোসনে আরা

পুরো নাম হোসনে আরা পারভীন, হুইল চেয়ারে বসা স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিহত হন । বাংলাদেশি এ পরিবারে স্বামী বাঁচলেও হোসনে আরা পারভীনকে জীবন দিতে হয়েছে।

সৈয়দ আরিব আহমেদ (২৬)

  সৈয়দ আরিব আহমেদ (২৬)

তিনি আসছেন মুলুত পাকিস্তানের করাচি থেকে। প্রান হারায় ক্রাইস্টচার্চ হামলায়।

ফারহাজ আহসান

ফারহাজ আহসান

২০১০ সালে তিনি হায়দরাবাদ থেকে নিউজিল্যান্ডে আসেন। তিনি পেশায় একজন সফ্টওয়্যার প্রকৌশলী। তিনি অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি এক স্ত্রী ও দুই ছোট শিশু রেখে যান।

মোশিন আল হার্বি

মোশিন আল হার্বি

তিনি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ও বেঁছে ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান। 

হোসাইন আল উমরি(৩৬)

হোসাইন আল উমরি(৩৬)

তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দার, আল-নূর মসজিদের সন্ত্রাসী হামলা নিহত হন।

সৈয়দ জাহানদাদ আলী-(৩৪)

সৈয়দ জাহানদাদ আলী-(৩৪)

তিনি একটি কারিগরি সংস্থা ইন্টারজেনের সিনিয়র ডেভেলপার ছিলেন। তার দেশ পাকিস্তান।

আশরাফ আলী-(৫৮)

আশরাফ আলী-(৫৮)

ফিজিয়ান ট্যাক্সি কোম্পানির মালিক ছিলেন তিনি।

আনিস আলিভাবা

আনিস আলিভাবা

তিনি কেরালার কোডুঙ্গালুরের অধিবাসী ছিলেন, আলীববা মাস্টারের ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন এবং তার স্বামী আবদুল নাজারের সাথে এক সাথে ছিলেন।

আর্মস্ট্রং

আর্মস্ট্রং

তিনি পশ্চিম অকল্যান্ডে বেড়ে ওঠেন, মুলুত তিনি তার কন্যা ও নাতির পাশাপাশি থাকার জন্য ই ক্রাইস্টচার্চে চলে যান।

জাকারিয়া ভূঁইয়ার।

জাকারিয়া ভূঁইয়ার।

তিনি  বাংলাদেশের সন্তান। তার মৃত্যুর বিষয়টি মুলুত তার বাবার কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। ভুঁইয়া দুই ভাই ও তিন বোনের চতুর্থ সন্তান তিনি।তিনি সম্প্রতি তার নিজের দেশে বিয়ে করেছিলেন এবং নিজের বিয়ে করা বউকে নিউজিল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেটি আর হলো না।

কারাম বিবি নামে পাকিস্তানি সরকার কর্তৃক নিহত হয়েছেন। তার ছেলে, জেশান রাজা ও স্বামী গোলাম হোসেনকেও হত্যা করা হয়।

কামেল দারভিশ

কামেল দারভিশ

প্রায় ছয় মাস আগে তিনি জর্দান থেকে নি জিল্যান্ডে  এসেছিলেন তিনি। তার স্ত্রী ও সন্তানের ভিসার জন্য আবেদনও  করেছিলেন তিনি।

ইলিয়ান-(৩৩)

 ইলিয়ান-(৩৩)

তার জন্ম কুয়েতে, আত্তা ইলিয়ান নিউজিল্যান্ডের জাতীয় ফুটবল দল এবং ক্যানটারবারি ফুটবল দলের সদস্য। আত্তা ইলিয়ানও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে নিহত হন।

আলি এলমাদানি (৬৫)

আলি এলমাদানি (৬৫)

তিনি নিউজিল্যান্ডে আসেন ১৯৯৮ সালে। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত এই প্রকৌশলী।

আবদুকাদির এলমি

আবদুকাদির এলমি

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিউইয়র্কের ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের ফেডারেশন, তার বয়েস ছিল ৭০।

আমজাদ হামিদ, (৫৭)

আমজাদ হামিদ, (৫৭)

তিনি মুলুত একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন ও তার স্ত্রী হানান হামিদ ২৩ বছর আগে ক্রাইস্টচার্চে চলে যান। তার ২ টি প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে আছে।

লিলিক আব্দুল হামিদও (৫৮)

লিলিক আব্দুল হামিদও (৫৮)

তিনি ইন্দোনেশিন, তার পরিবারে তার দুই সন্তান রয়েছে।

মোজাম্মেল হক (৩০)

মোজাম্মেল হক (৩০)

তিনি  বাংলাদেশ থেকে নিউজিল্যান্ড এসেছেন।

গোলাম হোসেন

গোলাম হোসেন

পাকিস্তানি সরকার হুসাইনকে মৃত ঘোষণা করলেন। তাঁর ছেলে জেশান রাজা ও স্ত্রী করম বিবিও নিহত হন

মুকাদ ইবরাহিম

মুকাদ ইবরাহিম

৩ বছরের এই ছোট্ট শিশুটিও রেহাই পাননি সন্ত্রাসী হামলা থেকে। আল-নূর মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে সে আর ফিরে আসেনি।

সমাইল

সমাইল

যখন তাকে মারাত্মক গুলি করা হয় তখন তার দুই ভাইয়ের সাথে ছিলেন। 

ওজির কাদির

ওজির কাদির

নিউজিল্যান্ডের ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন একাডেমিতে পড়তেন তিনি। ক্রাইস্টচার্চে এসেছিলেন গত বছরেই।বৈমানিক হওয়ার আর হলো না তার। 

ইমরান খান

ইমরান খান

ছিলেন একজন ব্যবসাই। 

মেহবুব খোকে (৬৫)।

মেহবুব খোকে (৬৫)।

ছেলেকে দেখতে ক্রাইস্টচার্চ এসেছিলেন তিনি, নিজ দেশ ভারতে আর ফেরা হয়নি  এই বাবার।

ওসামা আদনান আবু (৩৭)

ওসামা আদনান আবু (৩৭)

এসেছিলেন ফিলিস্তিন থেকে। নিউজিল্যান্ডে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। এর মাঝেই হামলায় মৃত্যু হয় তার।

 

হারুন মাহমুদ

হারুন মাহমুদ

ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ডক্টর হারুন মাহমুদ।

সায়িদ মিলন

সায়িদ মিলন

১৪ বছরের কিশোর সায়িদ মিলন। মা ও বন্ধুদের সঙ্গে আল-নূর মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয় সে।

হুসেইন মুস্তাফা, ৭০

হুসেইন মুস্তাফা, ৭০

মসজিদ আল নূর মসজিদের একই কোণায় মুস্তফা নামাজ পড়তে ছিলেন,।

খালেদ ও হামজা মুস্তফা

খালেদ ও হামজা মুস্তফা

সিরিয়া থেকে নিউজিল্যান্ডে আসেন খালেদ মোস্তফা। তার ১৬ বছরের ছেলে হামজাও এই হামলায় মারা যায়।

হাজি দাউদ নবী

হাজি দাউদ নবী

 হাজি দাউদ নবীকে (৭১) ভাবা হয় নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমানো প্রথম মুসলিম অভিবাসীদের একজন। ১৯৭৭ সালে তিনি নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমান। তারও মৃত্যু হয় ক্রাইস্টচার্চ হামলায়।

তারিক রশিদ ওমর, ২৪

তারিক রশিদ ওমর, ২৪

তার বাবা সবার আগে গণমাধ্যমদের তার মৃত্যু খবর নিশ্চিত করেছেন।

নাম তার মুসা ভালি সুলেমান প্যাটেল (৬০), এসেছিলেন ফিজি থেকে।

নাম তার মুসা ভালি সুলেমান প্যাটেল (৬০), এসেছিলেন ফিজি থেকে।

আব্দুল্লাহ কোশেম (৬০)

আব্দুল্লাহ কোশেম (৬০)

 মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যানটাবরির সাবেক সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। ফিলিস্তিনের এই অভিবাসীও  মারা যান আল-নূর মসজিদে  বন্দুক হামলায় ।

নাঈম রশিদ

নাঈম রশিদ

সন্ত্রাসী হামলায় আক্রমণকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টাকারী নাঈম রশিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার ২১ বছরের ছেলে তালহাও সন্ত্রাসী হামলা নিহত হয়। পেশায় ডাক্তার নাঈম রশিদ স্বপরিবারে পাকিস্তান থেকে নিউজিল্যান্ড আসেন।

তালহা রাশিদ

তালহা রাশিদ

জেশান রাজা

জেশান রাজা

মতিউল্লাহ সাফী

মতিউল্লাহ সাফী

মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ (৬৬)

মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ (৬৬)

লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন লিংকন ইউনিভার্সিটিতে। কখনো কখনো ছিলেন আল-নূর মসজিদে ইমামের দায়িত্বে। তাকেও হত্যা করা হয়। তিনি এসেছেন বাংলাদেশ থেকে।

সোহেল শাহীদ, ৪০

সোহেল শাহীদ, ৪০

মনির সোলিম্যান, ৬৮

মনির সোলিম্যান, ৬৮

 মিশরের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত চার মিশরীয় মৃত্যু।

আরিফ ভরা

আরিফ ভরা

নিউজিল্যান্ডে ভারতের রাষ্ট্রদূত।

রমিজ ভোলা

রমিজ ভোলা

নিউজিল্যান্ডে ভারতের রাষ্ট্রদূত ।

১৬ বছরের এই  ছোট ছেলে জাইদকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

YOUR REACTION?

Facebook Conversations



Disqus Conversations